মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ও মহানগর ইউনিট, মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও প্রজন্ম ৭১ একটি প্রচার মিছিল করে। নির্বাচনে ফজলে হোসেন বাদশাকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান চত্বর থেকে প্রচার মিছিলটি শুরু হয়ে সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়।
প্রচার মিছিলে নৌকার প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশাও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মিছিলে অংশ নেন মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ডা. আবদুল মান্নান, ডেপুটি কমান্ডার রবিউল ইসলাম, যুদ্ধকালীন কমান্ডার সফিকুর রহমান রাজা, জেলা কমান্ডের সাবেক সদস্য ইয়াসিন মোল্লাসহ অনেকে।
মিছিল শেষে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘সারা জীবন মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে আছি, আগামীতেও থাকব। একাত্তরে কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণেই কাজ করে যাবো। একাত্তরে অনেক রক্তের বিনিময়ে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছি। আমাদের এই দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধীরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসুক তা চাই না। এ জন্য আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
আসন্ন নির্বাচনে রাজশাহী সদর আসনে ১৪ দল মনোনীত ও মহাজোট সমর্থিত নৌকা প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, ‘আমি এবার নির্বাচিত হতে পারলে রাজশাহীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করবো। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সরকারি যানবাহনে তাদের বিনা ভাড়ায় যাতায়াতের সুযোগ করে দিবো। মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের জন্যই আমরা এই দেশ পেয়েছি। তাই তাদের প্রাপ্য সম্মান বুঝিয়ে দেওয়া সবার দায়িত্ব।’
বাদশা বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি করেছেন। আগামীতে এটি আরও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা আছে। অতীতের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী সরকারগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এতটা ভাবেনি যতটা বর্তমান সরকার ভেবেছে। তাই বর্তমান সরকারকেই আবার ক্ষমতায় আনার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।’








