অনুমোদনের ১২ দিন পরও বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিজ নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পরও তারা কীভাবে কমিটি অনুমোদন দিলেন তা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। এছাড়া কমিটিতে অনেক বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাজেদুর রহমান শাহীন জানান, কেন্দ্রীয় সভাপতি কাওসার মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ ২২ অক্টোবর ১০১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। ক্লিন ইমেজ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ত্যাগীদের নিয়ে কমিটি হয়েছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটির পরিচিতি সভা করা হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি আলহাজ মমতাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ২০০২ সালে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি করা হয়। এর ১৬ বছর পর ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি সম্মেলনে সাজেদুর রহমান শাহিন সভাপতি ও জুলফিকার রহমান শান্ত সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দু’জনই বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যেদিন কমিটি অনুমোদনের জন্য ঢাকায় যান সেদিনই কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তারা এ অবস্থায় কীভাবে কমিটির অনুমোদন দিলেন তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
তার ধারণা, পেছনের তারিখে কমিটির অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। আর বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের স্থান দেওয়ায় কমিটি ঘোষণায় দেরি হচ্ছে। অথচ ঘোষণার আগেই অর্থের বিনিময়ে পাওয়া পদ নিয়ে কেউ কেউ প্রচারও করছেন।
তিনি আরও বলেন, মহানগর বা সিটি করপোরেশনের বাইরে কোথাও সংগঠনকে উত্তর ও দক্ষিণে ভাগ করা হয়নি। এটি গঠনতন্ত্রে না থাকলেও বগুড়া শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগকে উত্তর ও দক্ষিণে ভাগ করা হয়েছে। এতে নেতাকর্মীরা অসন্তুষ্ট।
ওই নেতার দাবি, নন্দীগ্রাম উপজেলা কমিটি গঠনের নামেও মোটা অংকের টাকা নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এসব বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ করা হবে।







