বগুড়ার নন্দীগ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে আহত জামাই শাহীন আলম (২৬) মারা গেছেন। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে মারা যান তিনি।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকালে উপজেলার জামালপুর গ্রামে ওই হামলায় একই পরিবারের আরও চার জন আহত হন। নন্দীগ্রাম থানার ওসি শওকত কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে জমির মালিকানা নিয়ে মামুনুর রশিদ ও সামছুল আলমের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গত ১৯ ডিসেম্বর বিকালে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তখন সামছুল আলম পক্ষের লাঠির আঘাতে খোরশেদ আলম (৬০), তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৪৫), ছেলে মামুনুর রশিদ (২৪), মেয়ে খাদিজা খাতুন (৩০) ও ভাগ্নি জামাই শাহিন আলম (২৬) আহত হন। এদের বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ২১ ডিসেম্বর নন্দীগ্রাম থানায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এদের মধ্যে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার যুগিপাড়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে শাহীন আলম মারা যান।
এদিকে মামলার পর থেকে আসামি সামছুল হকের পরিবার পালিয়ে থাকায় সোমবার রাতে তার বাড়িতে চুরি হয়েছে। চোরেরা সোনার গহনাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।








