বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চালুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায় করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়; এক বছর সুবিধাভোগীদের ভাতার কার্ড গোপন করে সেই টাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই ইউপি সদস্য।
অভিযোগে জানা গেছে, চালুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল হামিদ এলাকার বেশ কয়েক জনকে ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে তিন-চার হাজার করে টাকা নিয়েছেন। গত এক বছর ধরে ভাতার কার্ড নিজের কাছে রেখে গোপনে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে আসছেন তিনি। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদ এলাকাবাসীর পক্ষে গত ২৯ এপ্রিল উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দেন।
মানিকদাইর চরের ফজল শেখ, এলাকার হাবিবর রহমান, বেলাল হোসেনসহ বেশ কয়েকজন জানান, তারা প্রায় এক বছর আগে হামিদ মেম্বারের কাছে বয়স্ক ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড পেতে চার হাজার করে টাকা দেন। তাকে চাপ দিলে কয়েকদিন আগে কার্ডগুলো দিয়েছেন। কিন্তু এর আগে ওই সব কার্ড দিয়ে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন মেম্বার।
অভিযোগকারী সুলতান আহমেদ বলেন, 'ইউপি সদস্য আবদুল হামিদ এমন আরও অনেক দরিদ্র পরিবারের কাছ থেকে কার্ড দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।'
এ প্রসঙ্গে সারিয়াকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মুনজিল আলী সরকার বলেন, 'ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর, ওই ইউপির চেয়ারম্যানকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে।'
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল মিয়া জানান, বর্তমানে করোনাভাইরাস মোকাবিলা এবং মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এরপরও বিষয়টি তদন্ত চলছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য আবদুল হামিদ বলেন, 'এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।'







