বগুড়ার শিবগঞ্জের ময়দানহাটা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আজহারুল ইসলাম নান্টু (৩৫) নামে এক কৃষক লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে উপজেলার দাড়িদহ বন্দরে কয়েক দফায় এ সংঘর্ষ হয়। শিবগঞ্জ থানার এসআই নাজমুল হক এ তথ্য জানান।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, আজাহারুল ইসলাম নান্টু শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি ছিলেন। আগামী নির্বাচনে প্রার্থিতা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম রূপম এবং দাড়িদহ গ্রামের বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা আবু জাফর মণ্ডলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। সোমবার রাতে জাফর গ্রুপের লোকজন ময়দানহাট্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি আল-আমিনকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারপিট করতে থাকেন। খবর পেয়ে চেয়ারম্যান রূপমের লোকজন আল-আমিনকে ছাড়াতে যান। সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন রূপম গ্রুপের কৃষক লীগ নেতা নান্টুকে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করলে রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। সংঘর্ষের সময় ৫-৬টি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম রূপম জানিয়েছেন, বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা আবু জাফরের সন্ত্রাসী বাহিনী নান্টুকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।
এসআই নাজমুল হক জানান, ময়নাতদন্ত শেষে নান্টুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত মামলা হয়নি।









