বগুড়ায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পরিবারের বিরুদ্ধে। রবিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে শহরতলির ছোট কুমিড়া গ্রামে এ হামলায় এক পুলিশ ও এক সোর্স আহত হয়েছেন। আহত সোর্সকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর তাজমিলুর রহমান বাদী হয়ে সদর থানায় সাত জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
পুলিশের দাবি, সদর ফাঁড়ির পুলিশ গত কয়েকদিন আগে শহরতলির ছোট কুমিড়া গ্রামের আজিজুল হকের মেয়ে শম্পা খাতুনকে দুই কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করে। ওই মামলার আসামি শম্পার স্বামীকে গ্রেফতার করতে পুলিশ রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়িতে যান। আজিজকে না পেয়ে তার ভাই তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী শয়নকে আটক করা হয়। এ সময় পরিবারে সদস্যরা শয়নকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা করেন। তারা পুলিশকে মারধর করে শয়নকে ছিনিয়ে নেন। তাদের হামলায় সদর ফাঁড়ির এটিএসআই নাসিম ও পুলিশের সোর্স সাবেক পুলিশ সদস্য আবদুল মান্নান আহত হন। তার গালে ছুরিকাঘাত ও মাথায় আঘাত করা হয়। মান্নানকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি ও এটিএসআই নাসিমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর ওই পরিবার ঘরে তালা দিয়ে আত্মগোপন করেছে।
সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর তাজমিলুর রহমান জানান, ওই পরিবারের সবাই মাদক ব্যবসায়ী।
সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, ইন্সপেক্টর তাজমিলুর রহমান ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। সোমবার (১ নভেম্বর) বিকালে আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে ছিল।









