রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি)। সাভারের সিআরপির আদলে এটি তৈরি করা হবে। এটি নির্মাণে পারিবারিক ১৫ বিঘা জমি দান করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।
রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) নগর ভবনের মেয়র দফতরে সিআরপির সঙ্গে চুক্তি ও জমিদান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। রাজশাহীর পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে প্রতি বছর পাঁচ হাজার মানুষ স্ট্রোকের চিকিৎসা ও অন্যান্য শারীরিক প্রতিবন্ধকতার চিকিৎসা পাবেন। এছাড়া স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি, কৃত্রিম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তৈরি, ফিজিওথেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা নিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর আগে থেকে আমি ও আমার স্ত্রী শাহীন আকতার রেনী, আমরা দুজনে পক্ষাঘাতগ্রস্ত, পঙ্গু ও প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে কাজ করছি। এ সংক্রান্ত কয়েকটি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থেকেও কাজ করেছি। তখন থেকে মনে হতো, তাদের জন্য স্থায়ীভাবে যদি কিছু করতে পারতাম। সেই চিন্তা থেকে পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র গড়ে তুলতে ১৫ বিঘা জমিটি সিআরপিকে দেওয়া হলো।
এ সময় সিআরপি প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরি অ্যান টেইলর বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার আনন্দ প্রকাশের ভাষা নেই। শহরের মধ্যে সড়কের পাশে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ১৫ বিঘার একটি জমি পক্ষাঘাতগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে সিআরপিকে দান করলেন মেয়র ও তার পরিবার। আমরা রাজশাহীতে সাভারের পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্রের আদলে আরেকটি কেন্দ্র গড়ে তুলবো। সেখানে প্রতি বছর এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসা সেবা পাবেন।’
এ সময় সিআরপির নির্বাহী পরিচালক ড. মো. সোহরাবসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।









