এক মামলায় বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল মান্নান আকন্দকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ শাহরিয়ার তারিক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।
আদালত ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া শহরের স্টেশন সড়কে রেলওয়ের জমিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী মার্কেট স্থাপন করা হয়। ঠিকাদার ছিলেন আবদুল মান্নান আকন্দ। সেখানে গাড়ি পার্কিংয়ের জমিতে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এই বিষয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুন্নবী রাসেল রেল বিভাগে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর রেলওয়ে বিভাগ মার্কেটের অবৈধ অংশটুকুতে উচ্ছেদ অভিযান চালায়।
উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সেখানে বগুড়া রেলওয়ের বুকিং সহকারী রায়হান কবির ও অবৈধ স্থাপনার বিষয়ে অভিযোগকারী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুন্নবী রাসেলের ওপর হামলা চালানো হয়। ওই হামলার ঘটনায় মার্কেট পরিচালনা কমিটির পরিচালক ও আহত রায়হান কবিরের বাবা হায়দার আলী বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন। ওই মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে আবদুল মান্নান আকন্দকে।
এদিকে, সকালে আবদুল মান্নান আকন্দ বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ শাহরিয়ার তারিকের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। বিচারক শুনানি শেষে তার আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আবদুল মান্নান আকন্দ আসন্ন বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে
স্বতন্ত্র প্রার্থী। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত ডা. মকবুল হোসেন। এক সময় আবদুল মান্নান আকন্দ বগুড়া শহর আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বগুড়া পৌরসভার গত নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে বিদ্রোহী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
কোর্ট ইন্সপেক্টর সুব্রত ব্যানার্জী জানান, আদালতের আদেশের পরপরই তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।









