গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ‘সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। যারাই সরকারের অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের বিরোধিতা করছেন তাদেরকে স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার বলে আখ্যা দেয়া হচ্ছে। জামায়াতকে তারা সমাবেশে সহযোগিতা করে জনগণের আন্দোলনে জামায়াতি ট্যাগ লাগানো হচ্ছে।’
শুক্রবার (১৬ জুন) পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণসংহতি আন্দোলনের জেলা শাখার সদস্যদের অংশগ্রহণে বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জেলা আহ্বায়ক জুলহাসনাইন বাবুর সভাপতিত্বে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘যেকোনও মূল্যে ক্ষমতায় থাকতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর কালিমা এনেছে। সামরিক বাহিনীর ওপরে শান্তিরক্ষী মিশনে যুক্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তৈরি পোশাক শিল্পের লাখ লাখ শ্রমিকের জীবিকার ওপরে হুমকি চলে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেদের গদি রক্ষার্থে দেশকে নিলামে তুলেছেন।’
বর্ধিত সভা শেষে পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ধিত সভায় সবার মতামতের ভিত্তিতে জেলা কমিটি পুনর্গঠিত হয়েছে। ১৩ সদস্যবিশিষ্ট জেলা কমিটির সদস্যরা হলেন- আহ্বায়ক জুলহাসনাইন বাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক মির্জা রানা ও কামরুল হাসান লিটন, সদস্য সচিব শেখ আজহার ও যুগ্ম সদস্যসচিব আবদুল আলিম।
পাবনা সদর উপজেলার শাখার আহ্বায়ক কমিটি নতুনভাবে গঠন করা হয়েছে। সাত সদস্যবিশিষ্ট সদর উপজেলা কমিটির সদস্যরা হলেন- আহ্বায়ক মির্জা রানা, সদস্যসচিব আবু হানিফ। সদস্য করা হয়েছে পাঁচ জনকে।
মতবিনিময় সভা শেষে জোনায়েদ সাকি পাবনা জেলার নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে রানা সুপার মার্কেটে দলের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করেন।









