৪৫ বছরেও সেতু হয়নি গাবতলীর ইছামতি নদীতে

বগুড়া প্রতিনিধি
০৮ এপ্রিল ২০১৬, ১৫:২৩আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০১৬, ১৫:২৩

৪৫ বছরেও সেতু হয়নি গাবতলীর ইছামতি নদীতে

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার শিলদহবাড়ী পশ্চিমপাড়া শিমুলতলায় ইছামতি নদীর ওপর আজও সেতু নির্মাণ করা হয়নি। সেতুর অভাবে প্রায় সাড়ে সাত হাজারের বেশি মানুষ প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে চলাচল করেন। ৪৫ বছর ধরে প্রতিটি  নির্বাচনের আগেই জনপ্রতিনিধিরা সেতুর আশ্বাস দিয়ে আসছেন। তবে ক্ষমতায় আসার পরপরই তারা সব ভুলে যান।  তাই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে রেহাই পেতে সংশ্লিষ্ট সবার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয়রা জানান, শিমুলতলা এলাকায় ইছামতি নদীর উপর স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও সেতু নির্মাণ করা হয়নি। নদী শুকিয়ে যাওয়ায় এখন আর নৌকাও চলে না। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, ব্যাংকার, এনজিকর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে হাঁটু পানি পেরিয়ে হাট-বাজার ও কর্মস্থলে যেতে হয়। গ্রামবাসী অনেকবার জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানালেও সেতু নির্মিত হয়নি।

বাধ্য হয়ে গ্রামের লোকজন গত জানুয়ারিতে বাঁশ ও অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করে স্বেচ্ছাশ্রমে চলাচলের জন্য সাঁকো নির্মাণ করেছেন। বাঁশের এ সাঁকোর উপর দিয়ে প্রতিদিন মধ্য শিলদহবাড়ী, পাঁচকাউনিয়া, বেতুয়ারকান্দি, কালাইহাটা, সোনামুয়া, সারিয়াকান্দি উপজেলার ছাইহাটাসহ বিভিন্ন গ্রামের বিপুল সংখ্যক মানুষ চলাচল করেন। বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে ভারী মালামাল বহন করতে না পেরে দ্বিগুনের বেশি মজুরি দিয়ে মাত্র আধা কিলোমিটার রাস্তা ৩-৪ কিলোমিটার ঘুরে বাড়িতে আনতে হয়। সেতুর অভাবে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল হাট-বাজারে নিতে পারছেন না। অনেক সময় তারা কম দামে ফড়িয়াদের কাছে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হন।

প্রবীণ শিক্ষক আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক মোল্লা ও মোস্তাফিজার রহমান, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হাফিজার রহমান ও মোহাম্মদ আলী, ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেতুর অভাবে এলাকার শত শত মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সেতু হলে এলাকার উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। তারা অবিলম্বে শিলদহবাড়ী পশ্চিমপাড়া আলহাজ্ব আমজাদ হোসেনের বাড়ির সামনে শিমুলতলা ইছামতি নামক স্থানে একটি আরসিসি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও যোগাযোগ মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

/এফএস/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম