সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার বগুড়াকে কোনও রাজনৈতিক অঞ্চল হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব দেয় না, বরং দেশের সামগ্রিক ও জাতীয় অর্থনীতির অংশ হিসেবেই এর উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।’
শনিবার (৮ আগস্ট) বগুড়ায় সওজের নতুন সড়ক জোন এবং পুনর্নির্মিত শাহ ফতেহ আলী সেতু উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি। সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার আঞ্চলিক সংকীর্ণতা পরিহার করে সুষম জাতীয় উন্নয়নে বিশ্বাসী। বগুড়া বিগত ২০ বছর ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত এবং বৈষম্যের শিকার হয়েছিল। সেই অনগ্রসরতা কাটাতে বর্তমান সরকার সচেষ্ট। বগুড়ার উন্নয়ন শুধু স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য নয়, এটি দেশের শিল্প, কৃষি ও সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার টেকসই অগ্রগতির অংশ।
বগুড়ার সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে উন্নয়ন সোচ্চার থাকাকে তিনি যৌক্তিক এবং নাগরিকদের ন্যায্য অধিকার হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে সরকার প্রাপ্ত সব দাবি পর্যায়ক্রমে পূরণ করবে।
প্রাণ ফিরছে প্রধানমন্ত্রীর হাতেগড়া ঐতিহাসিক শাকপালা পার্কের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতেগড়া বগুড়া শহরের ঐতিহাসিক শাকপালা পার্ক দীর্ঘদিন পর নতুন রূপে ফিরছে। শহরের শাকপালা মোড়ে অবস্থিত এ ঐতিহ্যবাহী পার্কের আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিকাল ৫টায় শাকপালা পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আরও উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মোশারফ হোসেন এমপি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া শহরের মানুষের বিনোদন ও অবসর কাটানোর অন্যতম পরিচিত স্থান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শাকপালা পার্কের রয়েছে বিশেষ পরিচিতি। ২০০১-২০০৬ সালে পর্যন্ত বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন, তৎকালীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে পার্কটি তৈরি করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ ২০ বছর অবহেলায় পার্কটির সৌন্দর্য নষ্ট করা হয়। পরে এটি মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়। আজ এই পার্কের নতুন করে উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের মধ্য দিয়ে এটি আবারও শহরবাসীর অন্যতম আকর্ষণীয় বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্বোধনের পর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পার্কের স্থান পরিদর্শন করেন।









