ঠাকুরগাঁওয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তার নাম মিন্টু (২৫)। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৭ জন।তাদের ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে দেবীপুর ইউনিয়নের কালেশ্বরগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই )খায়রুল আনাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মিন্টু সদর উপজেলার রাজাগাঁও ইউনিয়নের উত্তর বঠিনা গ্রামের বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে এসআই খায়রুল আনাম জানান,দুপুর ২টার দিকে কালেশ্বরগাঁও গ্রামে ৫০ কাঠা জমিতে পাট রোপন করার জন্য মিন্টুসহ তার পরিবারের লোকজন যান। এ সময় এলাকার পবার উদ্দীন খান বাধা দেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে পবার উদ্দীন খানের লোকজন মিন্টুসহ তার পরিবারের সদস্যদের মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মিন্টু মারা যান।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাকিয়া আক্তার জুঁই বলেন,‘মিন্টুর মাথা ও পিঠে ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ার কারণেই মিন্টুর মৃত্যু হয়।
আহত সাত জনের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আহত নুর ইসলাম বলেন,‘কবলা সূত্রে ৫০ কাঠা জমির মালিক আমরা। কিন্তু দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে পবার উদ্দীন খান আমাদের এই জমিটি তার দাবি করে প্রায় সময়ই দখল করার চেষ্টা করে।’
এ বিষয়ে পবার উদ্দীন খানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
/এমডিপি/







