দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে মাত্র একদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে কেজি প্রতি পেঁয়াজের দাম কমেছে ৫ থেকে ৬ টাকা। ভারতের বাজারে নতুন জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় ও পেঁয়াজের দাম কমায় দেশে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ বেড়ে গেছে। এতে করে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে। সামনের দিনে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে বলে জানিয়েছেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় ও রফতানি মূল্য বেশি থাকায় বন্দর দিয়ে পূর্বে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হতো। বর্তমানে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় ও রফতানি মূল্য কমে যাওয়ায় গড়ে প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, বন্দর দিয়ে ভারত থেকে নাসিক ও ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত আছে। সম্প্রতি এর সাথে বেলোরি জাতের পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। বর্তমানে এসব জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রকারভেদে ২৪ টাকা থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একদিন আগেও এসব জাতের পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বন্দরে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমার প্রভাব খুচরা পর্যায়ে পড়তে শুরু করেছে। ভারত থেকে আমদানিকৃত এসব জাতের পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একদিন আগেও এসব পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। এছাড়াও বাজারে দেশী জাতের পেঁয়াজ ৪০টাকা থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে যা একদিন আগে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বেশ কিছুদিন ধরে বন্দর দিয়ে ভারত থেকে নাসিক ও ইন্দোর এই দুই জাতের পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত আছে। সম্প্রতি ভারতের বাজারে নতুন জাতের দক্ষিণ অঞ্চলের বেলোরি জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এতে করে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ যেমন বেড়েছে তেমনি পেঁয়াজের দামও কমে গেছে। এছাড়াও পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানি মূল্য নির্ধারণ না থাকায় বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে পণ্যটির সরবরাহ যেমন বাড়ছে তেমনি দামও কমছে। সামনের দিনে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে।






