দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ বেড়ে গেছে। এর ফলে দেশের বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০টাকা কমেছে। হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবলুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে এই খবর নিশ্চিত করেছেন।
বাবলুর রহমান জানান, এখন পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭ থেকে ২০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ আগে প্রকারভেদে ২৪ টাকা থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
এছাড়া দেশি জাতের পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা একসপ্তাহ আগে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
তিনি জানান, ভারতের নাসিক, সাউথ, ইন্দোর, গুজরাটসহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এর ফলে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। এছাড়া কয়েক দিন আগে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির ক্ষেত্রে প্রতিটনের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল ৮৫২ মার্কিন ডলার, পরে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় তা কমিয়ে ৭শ’ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়। সম্প্রতি পেঁয়াজের সরবরাহ ব্যাপকহারে বাড়ার কারণে পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানিমূল্য প্রত্যাহার করে নেয় ভারত সরকার। এর ফলে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ বেড়ে গেছে।
এছাড়াও দেশের মেহেপুর ও পাবনা অঞ্চলে নতুন জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এতে করে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দামও কমতির দিকে রয়েছে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মার্চের ১ থেকে ৮ তারিখ পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ২৯২টি ট্রাকে ৬ হাজার ২৬১টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে ৫২৫টি ট্রাকে ১১ হাজার ২৪৭টন ও জানুয়ারি মাসে ৪২৩টি ট্রাকে ৮ হাজার ৩৩৯টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল।








