কুড়িগ্রামের ৪১ জন ডিলারের কেউই টিসিবির (ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ) পণ্য এখনও উত্তোলন করেননি। তারা টিসিবির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকাও জমা দেননি। টিসিবির রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-ঊর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী মো. মিশকাতুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডিলার নরেশ কর্মকার জানান, ‘টিসিবির নির্ধারিত পণ্যের মূল্য বাজারের সঙ্গে খাপ খায় না, ফলে এতদিন পণ্য উত্তোলন করিনি। ব্যবসা করে যদি লাভ করতে না পারি, তাহলে পণ্য তুলে কি করব। যে কমিশন দেওয়া হয় তাতে রংপুর থেকে কুড়িগ্রামে পণ্য এনে লাভবান হওয়া যায় না। তারপরও খোঁজ নিয়ে দেখবো, যদি কিছুটা পোষায় তাহলে পণ্য উত্তোলন করবো।’
টিসিবির রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-ঊর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী মো. মিশকাতুল আলম বলেন, ‘বিগত বছরের তুলনায় পণ্য উত্তোলন করতে ব্যবসায়ীদের এবার অনেক বেশি পরিমাণ টাকা জমা দিতে হচ্ছে। গত বছর যেখানে ৮০ হাজার টাকা জমা দিয়ে পণ্য উত্তোলন করা যেত, এবার সেই টাকার পরিমাণ প্রায় আড়াই লাখ। ফলে অনেক ডিলার পণ্য তুলতে অনীহা প্রকাশ করছেন। তারপরও আমরা ডিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, যেন তারা পণ্য উত্তোলন করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিক্রি করেন।’
কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মো. রফিকুল ইসলাম সেলিম জানান, টিসিবির পণ্য বিক্রি নিয়ে ডিলারদের নানা অভিযোগ রয়েছে। আমরা তারপরও চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। আশা করছি খুব শিগগিরই টিসিবির মাধ্যমে জেলায় পণ্য বিক্রি শুরু করতে পারবো।
টিসিবির কিছু পণ্যের মূল্য কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছে টিসিবির রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়। এর মধ্যে খেজুর প্রতি কেজি ১২০ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা, ছোলা প্রতি কেজি ৭০ টাকা থেকে কমিয়ে ৬৫ টাকা এবং মশুর ডাল (মোটা) প্রতি কেজি ৫৫ টাকা থেকে কমিয়ে ৫০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া চিনি ও সয়াবিন তেলের নির্ধারিত মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে।








