আমদানি করা চাল খালাস না হওয়ায় পণ্য নিয়ে আসা ভারতীয় ট্রাকের চালক ও সহকারীরা বন্দরের প্রধান সড়কে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করায় বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মাঝে পণ্য আমদানি রফতানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
সোমবার (২ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে হিলি স্থলবন্দরের ভেতর থেকে ভারতীয় ট্রাকের চালক ও সহকারীরা সীমান্তের শুন্যরেখায় বন্দরের প্রধান সড়কে অবস্থান নেয়। তারা ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশে বাধা দেয়। এতে করে বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ভারত অভ্যন্তরে আটকা পড়েছে পেঁয়াজসহ কয়েকশ পণ্যবাহী ট্রাক।
ভারতীয় ট্রাকের চালক ও সহকারীরা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, প্রায় এক মাস; কারও কারও আরও বেশিদিন হতে চললো— আমরা ভারত থেকে চালবাহী ট্রাক নিয়ে হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করেছি। কিন্তু এখন অবধি এসব ট্রাকের চাল খালাস করা হচ্ছে না। সাধারণত ভারত থেকে রফতানি করা পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশের এক থেকে দুদিনের মধ্যেই পণ্য খালাস হয়ে যায়। সে হিসেবেই আমরা সামান্য কিছু টাকা পয়সা নিয়ে আবার কেউবা কাপড়-চোপড় ছাড়াই যেভাবে ছিল সে অবস্থাতেই চাল লোড নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসি। কিন্তু আজ প্রায় এক মাস বা তারও বেশি সময় পার হলেও চালগুলো খালাস করা হচ্ছে না। এতে করে আমাদের কাছে থাকা টাকা পয়সা না থাকায় খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে সবকিছু নিয়ে বিপাকের মধ্যে পড়ে গেছি।
হিলি সীমান্তের শুন্যরেখায় ভারতের হিলি পরিবহন শ্রমিকের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চন্দ্র বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, গত সপ্তাহে বাংলাদেশ থেকে জানানো হয়েছিল সোমবারে এসব ট্রাকের চাল খালাস করা হবে, কিন্তু আজও তা খালাস করা হয়নি। সেই কারণে তারা আজকে সড়কে অবস্থান নিয়ে ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দিয়েছে। আমরা এবিষয় নিয়ে ভারতীয় রফতানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠকে বসবো।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তাদের সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। আলোচনা ফলপ্রসু হলে বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য আবারও শুরু হবে।’







