বাস চাপায় নিহত দশম শ্রেণির ছাত্র তানভীর আহাম্মেদ জিয়নের হত্যাকারী বাস চালক ও হেলপারের ফাঁসির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও মানব বন্ধন করেছে। মানব বন্ধনে হাজার হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এসময় তারা ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানায় অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়।
এর আগে সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভ্যান্তরে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে তারা কলেজের বাইরে আসার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাঁধা দেয়। এ সময় পুলিশ স্কুলের সামনের সড়কের দোকান পাট ও যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। শিক্ষার্থীদের অব্যাহত বিক্ষোভের মুখে কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কলেজের সামনে মানববন্ধন করতে দিতে সম্মত হলেও কঠোর পুলিশী বেষ্টনীর মধ্যে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করে। তারা নিহত সহপাঠি জিয়নের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করে। শিক্ষার্থীরা ঘাতক ড্রাইবারের ফাঁসিসহ ৩ দফা দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবিগুলো হলো কলেজের সামনে স্পিড ব্রেকার নির্মাণ, শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা বাস দেওয়াসহ জিয়ন হত্যাকারী বাস চালকের ফাঁসি। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুরোধে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি পালন করে চলে যায়। অন্যদিকে পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষ কলেজ ছুটি ঘোষণা করেন।
রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান বলেন, ‘পরিস্থিতির যাতে অবনতি না ঘটে সে দিকে কঠোর নজরদারি করা হয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীদের সেন্টিমেন্ট বিবেচনা করে তাদের মানববন্ধন করতে সহায়তা করেছি।’
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ঘাতক বাসের ড্রাইভার শানু ও হেলপার বাদশাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার তাদের আদালতে হাজির করে ৮ দিনে রিমাণ্ডে হয়েছেঅ।
উল্লেখ্য রবিবার রংপুর নগরীর মর্ডান মোড় খলিফাটারী এলাকায় বাস চাপায় স্কুল ছাত্র জিয়ন নিহত হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে। এসময় রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে পাঁচ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।








