দিনাজপুরের ১২ উপজেলার আগামী ১৮ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হবে। এখানে ৭৯১ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬৮০টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে। পাশাপাশি পুলিশ-বিজিবি ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়।
দিনাজপুর পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম জানান,জেলার ১২ উপজেলা পরিষদের ৭৯১ কেন্দ্রের মধ্যে ৬৮০টিই গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি ১১১টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার গোপন প্রতিবেদনে ভোট কেন্দ্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণে সুপারিশ করা হয়েছে। ১১ হাজার ২০৩ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ভোট কেন্দ্রে ও টহল দায়িত্ব পালন করবেন। প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রে ১০ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। এর মধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী রয়েছে। নির্বাচনের দিন তাৎক্ষণিক যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ঝটিকা অভিযানের জন্য প্রস্তুত রাখা হবে।
বিজিবির দিনাজপুরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সোহরাব হোসেন ভুইয়া জানান, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জেলার ১২ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলাসহ সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি’র প্রায় এক হাজার সদস্য টহল দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখার কাজে বিজিবি রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল ও দায়িত্ব পালন করবে।
দিনাজপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান জানান, জেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তার জন্য ভোটের দিনে ৩১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৪ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভোট কেন্দ্র এলাকাগুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিংয়ের জন্য জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং কেন্দ্র খোলা হয়েছে। মনিটরিং কেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জয়নুল আবেদিন। ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটাররা যেন নিরাপদে ভোট দিতে পারেন সেজন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।







