দিনাজপুরের হিলিতে হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি মোবাইলফোন নম্বর ক্লোন করে বিভিন্ন মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটার দেওয়ার কথা বলে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাফিউল আলম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
হাকিমপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী আশরাফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বুধবার (৩ জুলাই) সকালে ০১৯৪৮-৮৭৫৫৫৪ নম্বর থেকে আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করে আমি আশরাফুল ইসলাম কিনা জানতে চাওয়া হয়। পরে আমি ফোন করা ব্যক্তির পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে ইউএনও বলে দাবি করেন। তখন আমি বলি ইউএনও স্যারের নম্বরতো আমার কাছে রয়েছে, কিন্তু এই নম্বরতো সেটি না। তখন ফোনটি কেটে দিয়ে ইউএনও’র সরকারি নম্বর থেকে ফোন আসে। পরে ওই ব্যক্তি আমাকে বলেন, হাকিমপুরে ৯টি মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, আপনি তাদেরকে আমার ব্যক্তিগত নম্বরে কথা বলতে বলেন। পরে আমি সবকটি মাদ্রাসার সুপারকে সেই নম্বর দিয়ে কথা বলতে বলি।
পরে জানতে পারি ইউএনও স্যার বিষয়টি জানেনই না। এরমধ্যে চার জন নাকি সেই নম্বরে ৭ হাজার করে টাকা দিয়েছেন।
হিলির বিশাপাড়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার রোস্তম আলী সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী আশরাফুল একটি নম্বর দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে নির্দেশনা দেন। পরে ওই নম্বরে ফোন দিলে নিজেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দাবি করে মাদ্রাসায় কম্পিউটার দেওয়ার কথা বলে ৭ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে সেই নম্বরে টাকা বিকাশ করি।
এ বিষয়ে হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাফিউল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমার সরকারি নম্বর ক্লোন করে একটি প্রতারক চক্র বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে টাকা নিয়েছে। আমি ইতোমধ্যে থানায় জিডি করেছি, এছাড়াও আমার ফেসবুক পেজেও এ বিষয়ে পোস্ট দিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছি।








