পাঠ্যবই ছাড়া স্কুল ভাবাই যায় না। তবে এমনই স্কুল চালু হয়েছে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষা রামখানা ইউনিয়নের ওয়াল্ড উইনার আইটি পাঠশালা টেকনিক্যাবল স্কুল অ্যান্ড কলেজে। প্রযুক্তির সহায়তায় শ্রেণিকক্ষে শিশুদের পড়ালেখা করানো হবে।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটির শিশু শ্রেণির ৪০ শিক্ষার্থীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বই ছাড়া শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
‘কেবল পাঠ্য বই-ই নয়, প্রযুক্তি আর উপকরণই হোক শিখন-শেখনের উপযুক্ত মাধ্যম’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বই ছাড়া শ্রেণিকক্ষের শুভ উদ্বোধন করেন কুড়িগ্রামের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সমাজকর্মী শফি খান।
আশার আলো পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কুমার বিশ্বজিৎ বর্মন জানান, শিশুদের বই-খাতাসহ ব্যাগ ভর্তি শিক্ষা উপকরণের ভারমুক্ত করে শুধু শ্রেণি কক্ষে শিক্ষা উপকরণ ও প্রযুক্তির সহায়তায় পাঠদানের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা এবছর শুধু শিশু শ্রেণিতে এই কার্যক্রম চালু করলেও আগামীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতেও এই পদ্ধতিতে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘আশার আলো পাঠশালা’ সামাজিক সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের লেখাপড়া করা ও বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তামূলক কাজে সহায়তা করে আসছে। ২০১৫ সালে সংগঠনটি আশার আলো আইটি পাঠশালা নামে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে প্রায় দেড় শতাধিক শিশু পড়ালেখা করছে।







