দিনাজপুরের হিলিতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কহিদুল ইসলাম ওরফে তৌহিদুল (৪২) নামে ১১ মামলার এক আসামি নিহত হয়েছে। এসময় ডাকাতের ছোড়া দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। তারা দিনাজপুর পুলিশ লাইন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পাইপগান, গুলিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোররাত চারটার দিকে হিলির আলিহাটের কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কহিদুল ইসলামের বাড়ি হিলির ধাওয়া নশিপুর গ্রামে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন— এসআই মাহে আলম ও কনস্টেবল ফজলুল হক। তারা পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।
হাকিমপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আখিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হিলির কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি চলছে, এমন গোপন খবর পায় পুলিশ। সেই খবরের ভিত্তিতে আমি থানার ওসিসহ পুলিশের একটি বিশেষ টিম নিয়ে সেখানে যাই। এসময় ডাকাতদল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে। দুই পক্ষের মাঝে গোলাগুলিতে তাদের নিজের গুলিতেই কহিদুল ইসলাম নিহত হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে বাকি সদস্যরা পালিয়ে যায়, এছাড়াও তাদের ছোড়া দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে আমাদের দুই পুলিশ সদস্য এস আই মাহে আলম ও কনস্টেবল ফজলুল হক পায়ে আঘাত প্রাপ্ত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, দুটি গুলির খোসা,এক রাউন্ড তাজা গুলি, চাপাতিসহ ৫টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।’
আখিউল ইসলাম জানান, নিহত ব্যক্তির বিরুদ্ধে হিলিসহ আশেপাশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, চুরি, ছিনতাইসহ সর্বমোট ১১টি মামলা ও ৬টি ওয়ারেন্ট রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর পুলিশ লাইন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর এম. রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।








