দিনাজপুরের হিলিতে বেশ কয়েকদিন ধরে তীব্র ভ্যাপসা গরম ও দাবদাহ শেষে স্বস্তির বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় মানুষের মাঝে শান্তি ফিরেছে। এ দিকে হঠাৎ বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুরসহ সাধারণ মানুষ।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি। বেশ কিছুক্ষণ ধরেই টানা বৃষ্টিপাত হয়। এতে করে হিলির বিভিন্ন সড়কে জমে যায় হাঁটু পানি। এদিকে বেশ কয়েকদিন তীব্র গরমের পর বৃষ্টি হওয়ায় অনেক শিশু-কিশোর ভিজে ভিজে আনন্দ উচ্ছ্বাসে সময়টা উপভোগ করেন।
হিলি বাজারের বাসিন্দা নূরে আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কয়েকদিন ধরে তীব্র ভ্যাপসা গরমের কারণে মানুষের চলাফেরা করাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছিল। সারাদিন ফ্যান চালিয়েও গরম থেকে বাঁচা যাচ্ছিল না। তখন থেকেই মনে হচ্ছিল বৃষ্টি হলে হয়তো বা গরমের মাত্রা কিছুটা কমে আসবে। আজ সকালে সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। সকাল থেকে স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। এতে করে আগের তুলনায় আবহাওয়া কিছুটা নরমাল হয়ে গরমের মাত্রা কমেছে।
এ দিকে হঠাৎ বৃষ্টির ফলে বিপাকে পড়েছিলেন বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার জন্য বের হওয়া মানুষ। অনেককে দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থেকে বৃষ্টির মধ্যে ভিজেই চলে যেতে দেখা গেছে। আবার কেউ কেউ ভ্যান-রিকশাযোগে গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন। বৃষ্টির কারণে মানুষের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় ভ্যান-রিকশা চালকদের আয় কমার পাশাপাশি কাজে যেতে না পেরে বিপাকে পড়েছিলেন খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষ।
দিনাজপুর আবহাওয়া অধিদফতরের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বাতাসে ময়েশ্চারের পরিমাণ বেশি থাকায় বেশ কয়েকদিন ধরে ভ্যাপসা গরম অনুভত হচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থা থাকবে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা খুব একটা নেই। আজ থেকে যে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে, তা খুব বেশি পরিমাণে হবে না। হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হবে। বৃষ্টিটা নিয়মিতই হবে তবে একটানা নয়। মাঝে মধ্যে দুই চার ঘণ্টা পর হবে, এভাবে আগামী দুই তিন দিন যাবে। বৃষ্টি যখন হবে তখন গরমের মাত্রা কমবে আর বৃষ্টি থেমে গেলে গরম আবার বাড়বে।








