নীলফামারীতে বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

নীলফামারী প্রতিনিধি
০৭ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪৩আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪৩

কেউ মাস্ক পরেন না নীলফামারীতে আক্রান্তের হার বাড়লেও কমেছে মানুষের সচেতনতা। সামাজিক দূরত্ব রক্ষায় অনেকেই উদাসীন। শহর কিংবা গ্রামের লোকজনকে মাস্ক ছাড়াই ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। অফিস-আদালতে যারা সেবা নিতে আসছেন তাদের মুখেও মাস্ক নেই। আবার যারা সেবা দিচ্ছে তাদেরও মাস্ক নেই। অধিকাংশই পকেটে মাস্ক নিয়ে ঘুরছে। এসব ব্যাপারে প্রশাসনের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন অনেকেই।

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তুলনামুলকভাবে অক্টোবর মাসে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কম ছিল। তবে চলতি মাসের (৬ নভেম্বর) এখন পর্যন্ত জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭ জন। করোনা শনাক্ত বৃদ্ধি পেলেও স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের কোনও মাথা ব্যথা। 

কেউ মাস্ক পরেন না
সিভিল সার্জন জানান, শীতে দ্বিতীয় দফায় করোনা মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’, হাসপাতালে রোগীসহ স্বজনদের মাস্ক শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। মানুষের মাঝে সচেতনতা ফিরিয়ে আনতে জোড় তৎপরতা শুরু করা হয়েছে।

কেউ মাস্ক পরেন না
হাসপাতালের ডাক্তারদের মুখে মাস্ক দেখা গেলেও করোনার প্রকোপ কমেছে এমন ধারণায় জেনারেল হাসপাতালের স্টাফদের পিপিই পরতে দেখা যায়নি। এছাড়াও বর্হিবিভাগে লাইনে দাঁড়িয়ে রোগীদের মাস্ক ছাড়াই ওষুধ সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ডাক্তারদের রোগীর সেবা দিতে দেখা গেছে।

কেউ মাস্ক পরেন না
প্রসঙ্গত, অক্টোবরে জেলায় ১ হাজার ১৬০ জন করোনা রোগীর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১১৩ জন। হোম কোয়ারেন্টিনে ১৪ হাজার ৭৫১, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ২২৭ জন। আইসোলশনে ছিলেন, এক হাজার ১৬৪ জন। মৃত্যুবরণ করেন ২১ জন।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. অমল চন্দ্র রায় জানান, বর্তমানের হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রোগীর সংখ্যা দু’জন। তবে হোম কোয়ারেন্টিন ও হোম আইসোলশনে অনেকেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

কেউ মাস্ক পরেন না
জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা মানুষের সচেতনতা বাড়াতে ক্যাম্পিংসহ সভা সেমিনার করে যাচ্ছি। এছাড়াও স্থানীয় হাট বাজারের কমিটি গুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। অন্যান্য জেলার চেয়ে নীলফামারী জেলার মোটামুটি করোনা পরিস্থিতি ভালো। দুই একজন হোম আইসোলসনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

 

 

/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
বিক্রির জন্য নিলামে উঠছে এই আধুনিক দুর্গটি
বিক্রির জন্য নিলামে উঠছে এই আধুনিক দুর্গটি
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম