গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনের ‘ব্যাপক অনিয়ম’ খতিয়ে দেখতে বন্ধ ঘোষিত কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট ৬৮৫ জনকে তিন দিনের শুনানির জন্য ডেকেছে নির্বাচন কমিশন গঠিত তদন্ত কমিটি। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে গাইবান্ধাতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
তিন সদস্যের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব ইসির যুগ্ম সচিব মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী স্বাক্ষরিত আদেশপত্রে এ তথ্য জানানো হয়। শুনানির প্রথম দিনে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) গাইবান্ধা সার্কিট হাউজে ২০২ জনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
১১ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৫৫ জন পোলিং এজেন্ট (প্রত্যেক প্রার্থীর পক্ষে) ও গাইবান্ধা নির্বাচন কর্মকর্তা, ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ ১৩৬ জনকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।
গাইবান্ধায় উপনির্বাচন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে: সিইসিদ্বিতীয় দিন বুধবার (১৯ অক্টোবর) সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে শুনানিতে ৪০ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২৭৮ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২০০ জন পোলিং এজেন্ট (প্রত্যেক প্রার্থীর পক্ষে) এবং সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা, সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ ৫২২ জন অংশ নেবেন।
এছাড়া শুনানির তৃতীয় দিনে বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) গাইবান্ধা সার্কিট হাউজে ডাকা হয়েছে ৫ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, ১৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি, ও র্যাবের কমান্ডিং অফিসার দুই জন, রির্টানিং অফিসার, পুলিশ সুপার এবং জেলা প্রশাসকসহ ২৭ জনকে।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) শুনানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোতাল্লেব। তিনি বলেন, ইসির গঠিত তিন সদস্যের কমিটি সোমবার রাতেই গাইবান্ধা পৌঁছাবে।
উল্লেখ্য, গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দুই উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রে সকাল ৮টায় ইভিএমে ভোট গ্রহণ শুরু হলেও ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ায় একে একে ৫১টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ করে ইসি। এরপর দুপুর আড়াইটার দিকে পুরো ভোটগ্রহণ স্থগিত করে। গত ২৩ জুলাই সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।









