সিলেট জজ কোর্টের ক্যান্টিনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সিলেট জেলা তাঁতি লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মো. আব্দুর রহিমসহ দুজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দ্রুত বিচার আইনের মামলায় মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সিলেট মহানগর চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন। এছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও একমাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী আইয়ুব আলী।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সিলেট জেলা তাঁতি লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ওসমানী নগরের মোল্লাপাড়া গ্রামের মো. আব্দুর রহিম (২৯) এবং হবিগঞ্জের মাধবপুরের রতনপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে দুলাল মিয়া (২৫)। দুলাল মিয়া বর্তমানে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন লাউয়াই এলাকায় বসবাস করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে সিলেট জজ কোর্টের ক্যান্টিন রমজান মাসে অন্যান্য ধর্মালম্বীদের জন্য খোলা রাখা হয়। এ বছরও রোজায় ক্যান্টিন খোলা রাখা হয়। এ ঘটনায় সিলেট জেলা তাঁতি লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিমসহ তার সহযোগীরা ক্যান্টিনে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় তারা ক্যান্টিনের কর্মচারী আল আমিনসহ কয়েকজনকে মারধর করে। এরপর হামলাকারীরা কালেক্টরেট অস্থায়ী ক্যান্টিনেও হামলা চালায়। এরপর দায়িত্বরত পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় দ্রুত বিচার আইনে হামলাকারী রহিম ও দুলাল মিয়াকে আসামি করে ক্যান্টিন ম্যানেজার পাভেল আহমদ বাদী হয়ে এ বছরের ১৫ জুন মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) আকবর হোসাইন ভূঁইয়া ক্যান্টিনে হামলার ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনের মামলায় আব্দুর রহিম ও দুলাল মিয়াকে অভিযুক্ত করে এ বছরের ২৮ জুন মহানগর চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১২ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হয়। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ আগস্ট চার্জ গঠন করেন আদালত। ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালত ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান জানান, আদালত প্রাঙ্গণে হামলার মামলায় আদালত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:






