বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এনটিআরসিএ’র হুঁশিয়ারি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৪ আগস্ট ২০২০, ২০:৩৬আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২০, ২০:৩৬

এনটিআরসিএ বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি রোধ ও ভুল চাহিদাপত্র দেওয়ার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করলো বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। যদি অসৎ উদ্দেশ্যে ভুল চাহিদাপত্র দেওয়া হয় বা কৌশল করে পদ শূন্য রাখার জন্য চাহিদাপত্রে ভুল করা হয় তাহলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছে এনটিআরসিএ। আর এ কারণে আগে থেকেই চাহিদাপত্র সংশোধনের শেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, পরবর্তী নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্ভুল করতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন এনটিআরসিএ।
এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পদ না থাকলেও শিক্ষক নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ-এর কাছে শিক্ষক নিয়োগের চাহিদাপত্র পাঠায়। ফলে শত শত শিক্ষক নিয়োগের পর এমপিও বঞ্চিত হন। এছাড়া ২০১৮ সালের জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা না মেনে আগের নীতিমালায় শিক্ষক নিয়োগের চাহিদা দেয়। ওই চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার পর এমপিও বঞ্চিত হন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা। এছাড়া এনটিআরসিএ–এর সুপারিশের পরও অনেক প্রার্থী নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছেন।
এ কারণে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত শেষ সময় দেওয়া হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) ড. কাজী আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেওয়া চাহিদা সংশোধন, পরিশোধন ও পরিমার্জন করতে হবে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে।
এতে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে সংশোধন করা না হলে পরে এ সংক্রান্ত কোনও আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আর শিক্ষকের চাহিদাপত্রে অনিয়ম ও অবহেলা পাওয়া গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হবে।
আদেশে আরও বলা হয়, জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে চাহিদাপত্র যাচাই বাছাই করে প্রয়োজন অনুসারে প্রতিষ্ঠানের চাহিদা সংশোধন, পরিশোধন ও পরিমার্জন করে প্রয়োজন অত্যাবশ্যক বিবেচিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে দিয়ে চাহিদাপত্র সংশোধন করিয়ে নেবেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের সতর্ক করে আদেশে বলা হয়, সময়সীমার পর চাহিদাপত্র সংশোধন, পরিশোধন ও পরিমার্জনের আর কোনও আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ২০১৮ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে চাহিদাপত্র পাঠালে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠানো হবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়টি জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে পত্র দেওয়া হবে।

/এসএমএ/এমআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
বিএসইসির চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ ও ৪ কমিশনারের পদত্যাগ
বিএসইসির চেয়ারম্যান রাশেদ মাকসুদ ও ৪ কমিশনারের পদত্যাগ
দাম বৃদ্ধির একদিন পরই লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য রিভিউ আবেদন
দাম বৃদ্ধির একদিন পরই লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য রিভিউ আবেদন
ফোনালাপ ফাঁসের পর বদলি করা হলো জেল সুপারকে
ফোনালাপ ফাঁসের পর বদলি করা হলো জেল সুপারকে
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম