স্বাধীনতার কত বছর পর ঢাকার সিনেমায় ফেরেন শবনম, জানালেন নিজেই

বিনোদন ডেস্ক
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০

কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম। ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পান তিনি। পরের বছর উর্দু চলচ্চিত্র ‘চান্দা’তে অভিনয় করে তৎকালীন সমগ্র পাকিস্তানে তারকাখ্যাতি পান অভিনেত্রী। দুটি ছবি মুক্তি পায় ঢাকা থেকে, এরপর সমগ্র পাকিস্তানে মুক্তি পায় ‘তালাশ’, হয় ব্যবসাসফল।

এ সিনেমার মাধ্যমে ষাটের দশকের মাঝামাঝিতে পাকিস্তানের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি পান শবনম।

পরবর্তীতে টানা পাকিস্তানে কাজ করেন তিনি। এমনকি দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও প্রায় দেড় দশক পাকিস্তানে ছিলেন শবনম। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে জানালেন স্বাধীন বাংলাদেশে ঠিক কখন তিনি নতুনভাবে সিনেমার কাজ শুরু করেন।

পাকিস্তানের লাহোরে যখন শবনম অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন, তখন বাংলাদেশ থেকে তার সঙ্গে ‘সন্ধি’ সিনেমার জন্য গাজী মাজহারুল আনোয়ার যোগাযোগ করেন। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৮৭ সালে ঢাকায় সিনেমাতে ফের কাজ শুরু করেন শবনম।

শবনম বলেন, ‘খোকা ভাই (সাংবাদিক আহমেদ জামান চৌধুরী) আমাকে ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য বুঝিয়েছিল, গল্পটা নিয়েও কথা বলেছিল। আমার দেবর অশোক ঘোষও ছবিটি করতে বলেছিল। খোকা ভাইয়ের কথায় আমি প্রথমে রাজি হলাম। আমাকে যখন ‘সন্ধি’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রথম প্রস্তাব দেওয়া হয়, তখন আমি লন্ডনে, ছেলে রনির সঙ্গে সময় কাটাতে গেছি। খোকা ভাই ফোন করে বললেন, ঝর্ণা, গাজী ভাই খুব ভালো ডিরেক্টর। তুমি ছবিটা করো। ভালো লাগবে কাজটা করে।’

শবনম

তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানতাম গাজী ভাই গান লেখেন। যা–ই হোক, এরপর আমাদের কথা হয়, শুটিংয়ের দিন–তারিখ জিজ্ঞেস করলাম। গাজী (গাজী মাজহারুল আনোয়ার) ভাই আমাকে বললেন, টানা এক মাস লাগবে। তখন মনটা একটু খারাপ হলো। এই বুঝি নিজের দেশের ছবিটা ছেড়ে দিতে হবে। আমি তখন গাজী ভাইকে বললাম, আমাকে একটু সময় দেন, লন্ডন থেকে পাকিস্তানে যাই। ডায়েরি দেখে আপনাকে জানাই। শুটিংয়ে কার কী ডেট, না দেখে তো বলতে পারছি না।’

শবনমের কথায়, গাজী ভাই আমাকে বললেন, এটা আপনাকে করতেই হবে। যেভাবে পারেন ম্যানেজ করেন। টেলিফোনে সব কথা হচ্ছে। বললাম, গাজী ভাই, আই অ্যাম রেডি টু ডু। শুধু ডেটটা অ্যাডজাস্ট করতে হবে। বললেন, আমার হিরো রাজ্জাক সাহেব, তিনি এখন টপে। তার ডেট যদি মিস করি তাহলে মুশকিল হয়ে যাবে।

সন্ধি’ মুক্তি পরের বছর অশোক ঘোষের ‘জুলি’ সিনেমাতে অভিনয় করেন শবনম। একই বছরে মইনুল হোসেনের ‘যোগাযোগ’ ছবিতেও দেখা যায় তাকে। ১৯৮৯ সালের একই ঈদে শবনমের দুটি ছবি মুক্তি পায়, একটি সুভাষ দত্তের ‘সহধর্মিণী’ অন্যটি গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ‘শর্ত’।

/এনআই/
সম্পর্কিত
হুথিদের লাগাম টানতে ইরানকে পাকিস্তানের সতর্কবার্তা
হুথিদের লাগাম টানতে ইরানকে পাকিস্তানের সতর্কবার্তা
‘পরবর্তী ওয়াকার ইউনুস’: গতির ঝড়ে নজর কাড়লেন পাকিস্তানের রাজাউল্লাহ
‘পরবর্তী ওয়াকার ইউনুস’: গতির ঝড়ে নজর কাড়লেন পাকিস্তানের রাজাউল্লাহ
ভারতীয় সিনেমার ‘কার্বন কপি’ কীভাবে পাকিস্তানে ব্লকবাস্টার হয়েও নিষিদ্ধ হয়েছিল, জন্ম দিয়েছিল বিক্ষোভের
ভারতীয় সিনেমার ‘কার্বন কপি’ কীভাবে পাকিস্তানে ব্লকবাস্টার হয়েও নিষিদ্ধ হয়েছিল, জন্ম দিয়েছিল বিক্ষোভের
আরও বড় পদে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
আরও বড় পদে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
বিনোদন বিভাগের সর্বশেষ
এক সুরে দুই ভাই-বোন, মুগ্ধতায় ‘এ আমির আবরণ’
এক সুরে দুই ভাই-বোন, মুগ্ধতায় ‘এ আমির আবরণ’
শিল্পকলায় শেষ হলো ‘নজরুলের ছন্দতরঙ্গ’
শিল্পকলায় শেষ হলো ‘নজরুলের ছন্দতরঙ্গ’
স্কুলজীবনে শাহরুখের হয়ে গান গাইতেন পলাশ, জানালেন গায়ক নিজেই
স্কুলজীবনে শাহরুখের হয়ে গান গাইতেন পলাশ, জানালেন গায়ক নিজেই
আমাকে আপনার প্রার্থনায় রাখবেন: বাঁধন
আমাকে আপনার প্রার্থনায় রাখবেন: বাঁধন
ছবির এই শিশুকে চিনতে পেরেছেন? তিনি এখন গায়িকা
ছবির এই শিশুকে চিনতে পেরেছেন? তিনি এখন গায়িকা