জন্মদিনে একটা স্পেশাল ব্যাপার আছে: রুনা লায়লা

Send
জনি হক
প্রকাশিত : ১২:৩১, নভেম্বর ১৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৩৬, নভেম্বর ১৭, ২০১৯

রুনা লায়লা (ছবি: সংগৃহীত)রুনা লায়লা হলেন তারকাদের তারকা। বাংলাদেশের সংগীতশিল্পের জীবন্ত কিংবদন্তি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। সব শ্রেণির জনপ্রিয়তা, সাফল্য ও প্রাপ্তিতে আলোকিত গুণী এই শিল্পী।
১৯৬৫ সাল থেকে শুরু। শ্রোতাদের অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন রুনা লায়লা। সাড়ে চার যুগ ধরে সংগীতপিপাসুরা তার মোহময় গায়কীতে আচ্ছন্ন। সুরের সাত সাগরে কোটি কোটি শ্রোতাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছেন। তার তুলনা শুধুই তিনি।

রুনা লায়লার জন্মদিন আজ। এবার ৬৭ বছরে পা রাখলেন তিনি। স্বামী, সন্তান, পরিবার, স্বজন ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হওয়ার ফাঁকে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে কথা বললেন।

বাংলা ট্রিবিউন: শুভ জন্মদিন। আপনাকে বাংলা ট্রিবিউনের পক্ষ থেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
রুনা লায়লা: আপনাদের ধন্যবাদ।

বাংলা ট্রিবিউন: ৬৭তম জন্মদিন কীভাবে উদযাপন করছেন?
রুনা লায়লা: আলাদা কিছু না। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটছে। তবে একটা স্পেশাল ব্যাপার অবশ্য আছে।

বাংলা ট্রিবিউন: সেটা কী?
রুনা লায়লা: স্টার জলসার মেগা সিরিয়াল ‘কে আপন কে পর’-এর একটি বিশেষ পর্ব সাজানো হয়েছে আমাকে ঘিরে। সেখানে কলাকুশলীদের উপস্থিতিতে কেক কেটেছি। আমার জন্মদিনেই এটি প্রচার হবে। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১০টায়।

‘কে আপন কে পর’ নাটকের সেটে কেক কেটেছেন রুনা লায়লাবাংলা ট্রিবিউন: কলকাতায় তো চার দিন পর আবারও যাচ্ছেন…

রুনা লায়লা: হ্যাঁ। বাংলাদেশ-ভারত দিবা-রাত্রির টেস্ট উপলক্ষে সৌরভ গাঙ্গুলী আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আমাকে। খেলা শুরুর আগে গাইবো। ব্যাপারটা নতুন হবে।

বাংলা ট্রিবিউন: আপনার ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে বুঝলাম, প্রতিবারের মতো এবারও জন্মদিনের দুই দিন আগে থেকেই শুভেচ্ছা পাচ্ছেন।
রুনা লায়লা: আমার এটা ভালোই লাগে। এত ব্যস্ততার ভিড়েও মানুষ আলাদাভাবে মনে রাখে দিনটির কথা। মানুষের এই ভালোবাসাই আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি। শ্রোতাদের আরও ভালো ভালো গান উপহার দিতে চাই।

বাংলা ট্রিবিউন: সাতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন গান গেয়ে। এবার সুরকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন। অনুভূতিটা কি আলাদা?

রুনা লায়লা: তা তো বটেই! ‘একটি সিনেমার গল্প’-এর পরিচালক আলমগীর সাহেবের আগ্রহেই আমার সুর করা। চেয়েছিলাম আঁখি আলমগীর এটি গাইবে। বেশি ভালো লাগছে যে, আঁখিও এই গানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছে। গানটি দারুণ লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।

বাংলা ট্রিবিউন: আপনার সুরে ‘ফেরাতে পারিনি’ শিরোনামে নতুন আরেকটি গান এসেছে…
রুনা লায়লা: শুনেছেন?

বাংলা ট্রিবিউন: হ্যাঁ।
রুনা লায়লা: ‘ফেরাতে পারিনি’ আমি নিজেই গেয়েছি। মডেলও হয়েছি। ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে এর মিউজিক ভিডিও এসেছে। শ্রোতাদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি। তারা উৎসাহ দিলে অনুপ্রাণিত হই। একই চ্যানেল থেকে আরও কয়েকটি গান মুক্তির অপেক্ষায় আছে। এগুলো গেয়েছে আমার মেয়ে তানি লায়লা, আঁখি আলমগীর, হৈমন্তী রক্ষিত ও লুইপা।


বাংলা ট্রিবিউন:
সুরকার হিসেবে নতুন আর কী করছেন?
রুনা লায়লা: ‘রুনা লায়লা ফিচারিং লিজেন্ডস ফরএভার’ শিরোনামে পাঁচটি গানের মিউজিক ভিডিও আসবে। সবই আমার সুর করা। একটি করে গান গেয়েছেন আশা ভোঁসলে, হরিহরণ, আদনান সামি ও রাহাত ফতেহ আলী খান। আরেকটি আমার গাওয়া। সংগীতায়োজনে রাজা কাশেফ। আগামী ১৩ ডিসেম্বর সিটি ব্যাংকের দশম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে মিউজিক ভিডিওগুলো মুক্তি পাবে।

বাংলা ট্রিবিউন: রুনা লায়লার সাফল্যের মন্ত্র কী?
রুনা লায়লা: গানের ব্যাপারে আমি খুব আন্তরিক। সবসময় সাধনা করেছি। এখনও করছি। আন্তরিকতা, সততা, রেয়াজ আর পরিশ্রমের কমতি রাখিনি। একটা শৃঙ্খলার মধ্যে চলি। আমি পেশাদারিত্ব আর নিয়মানুবর্তিতায় বিশ্বাস করি। অধ্যবসায়, একাগ্রতা, সাধনা, সময়জ্ঞানের বিকল্প নেই।

/এমএম/এমওএফ/

লাইভ

টপ