চলে গেলেন মাহফুজুর রহমান খান

Send
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০১:২৯, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৮, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯

মাহফুজুর রহমান খানদেশসেরা চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান আর বেঁচে নেই। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১২টা ২৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন তার ভাতিজা রাশেদ আলী।
সকালে আনুষ্ঠানিকতা সেরে হাসপাতাল থেকে মরদেহ তার জন্মস্থান পুরান ঢাকায় নেওয়া হবে। বাদ জুম্মা এলাকার শাহী মসজিদে জানাজা হবে নয়বার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই বরেণ্যর। এরপর আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।

তবে এর আগে বিকাল ৩টায় বিএফডিসিতে মরদেহ নেওয়া হবে বলে বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। তিনি বলেন, 'আমরা মাহফুজুর রহমান খান ভাইকে শেষবিদায় জানাবো। পাশাপাশি এখানে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।'

গত ২৫ নভেম্বর রাতে মাহফুজুর রহমান খান অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

মাহফুজুর রহমান খান চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণের জন্য নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আটবার বাচসাস এবং একবার বিশেষ বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার লাভ করেন। প্রয়াত নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের বেশিরভাগ চলচ্চিত্রে তিনি ক্যামেরার পেছনে ছিলেন।
এই কিংবদন্তি ১৯৪৯ সালের ১৯ মে পুরান ঢাকার হেকিম হাবিবুর রহমান রোডে এক বনেদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তার বাবা মরহুম হাকিম ইরতিজা-উর-রহমান খান ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তার দাদা হাকিম হাবিবুর রহমান খানের নামানুসারেই রোডের নামকরণ করা হয়েছিল। তার চাচা ই আর খান (ইরতিফা-উর-রহমান খান) ১৯৬০-৮০ এর দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের একজন খ্যাতনামা পরিচালক ও প্রযোজক ছিলেন। তাছাড়া প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক সহোদর এহতেশাম ও মুস্তাফিজ তার ফুফাত ভাই।
পেশাদার চিত্রগ্রাহক হিসেবে মাহফুজুর রহমান খান ১৯৭২ সালে প্রথম চলচ্চিত্রে কাজ করেন। তিনি আলমগীর কবির, আলমগীর কুমকুম, হুমায়ূন আহমেদ, শিবলী সাদিকদের মতো চলচ্চিত্র পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন।

/এম/

লাইভ

টপ