অপূর্বর সঙ্গে বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে যা বললেন নাজিয়া

Send
সুধাময় সরকার
প্রকাশিত : ২১:১৯, মে ১৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:১৫, মে ১৯, ২০২০

অপূর্ব, আয়াশ ও নাজিয়াঅভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব আর নাজিয়া হাসানের ৯ বছরের সংসার ভেঙে গেলো। এমন একটি গুঞ্জন গেল তিন মাস বাতাসে ভাসলেও ঠিক সুরাহা হচ্ছিলো না। কারণ, এ বিষয়ে দুজনেই মুখ বন্ধ রেখেছেন সচেতনভাবেই।

অবশেষে রবিবার (১৭ মে) সন্ধ্যায় হুট করেই বুঝি নিজের অবস্থান জানান দিলেন নাট্যকার নাজিয়া হাসান। অনুরোধের সুরে এক লাইনে নিজের ফেসবুকে লিখলেন, ‘আমাকে ভাবি ডাকা বন্ধ করুন।’ ব্যস, মিডিয়ার ইফতারমুখর সন্ধ্যায় যেন আগুন ধরে গেলো! ‘ভাবি’ না ডাকার অনুরোধই নয়, সঙ্গে তিনি বদলে দিলেন নিজের ম্যারিটাল স্ট্যাটাসও—‘ডিভোর্সড’।
এমন ঘটনার দুই ঘণ্টার মাথায় পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন নাজিয়া হাসান। বললেন বিস্তারিত। যার পুরোটাজুড়েই ছিল অভিনেতা অপূর্বকে ঘিরে। এভাবেও বলা যায়, অপূর্বকে দোষারোপ না করার অনুরোধ ছিল নাজিয়ার এই বার্তায়।
নাজিয়ার ভাষায়, ‘অপূর্ব একজন আদর্শ বাবা, প্রেমময় ভাই, দায়িত্বশীল পুত্র এবং একজন ভালো মানুষ।’ তবে স্বামী হিসেবে কেমন ছিলেন সেটি আর জানাননি তিনি।
অপূর্বর প্রশংসা করতে গিয়ে নাজিয়া বলেন, ‘তিনি মিলিয়ন ফ্যানদের কাছে একজন সুপার ট্যালেন্টেড ব্যক্তি, এটা তিনি নিজেই অর্জন করেছেন। আমার মনে হয় তিনি সেখানেই সবচেয়ে যোগ্য। ফলে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নয়, দয়া করে তার অসাধারণ কাজগুলো নিয়ে তাকে বিচার করুন।’
নিজেদের একসঙ্গে না থাকতে পারা প্রসঙ্গে নাজিয়া বলেন, ‘তিনি আমাকে জীবনের সেরা উপহার দিয়েছেন, তা হলো আমার ছেলে আয়াশ। দুর্ভাগ্যক্রমে অসংখ্য কারণে একসঙ্গে থাকছি না আমরা, তবে আমি সবসময় তার সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন কামনা করছি।’


নাজিয়া সমালোচক ও সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘দয়া করে বিয়ে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তের ওপর আমাদের কাউকে বিচার করবেন না। আপনারা সবাই আমাদের সুখে-দুঃখে সবসময় ভালোবেসেছেন, সমর্থন দিয়েছেন। আমরা আশা করি তা অব্যাহত থাকবে।’


এদিকে, বিচ্ছেদের বিষয়ে জানতে অপূর্বর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ২০১১ সালের ১৪ জুলাই নাজিয়া হাসান অদিতিকে বিয়ে করেন অপূর্ব।

/এমএম/এমওএফ/

লাইভ

টপ