সরকারি অনুদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শর্ট ফিল্ম ফোরাম

Send
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:৫৮, জুন ২৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:৫৪, জুন ২৯, ২০২০

চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদান নিয়ে প্রশ্ন উঠলো এবারও!

২৭ জুন এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে অনুদান দেওয়া হচ্ছে ১৬টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ৯টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য। এরমধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য পাচ্ছে মোট ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য ১ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এমন ঘোষণার একদিনের মাথায় পুরো বিষয়টিকে নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম।
২৮ জুন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসানের পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ এবং শৈল্পিক চলচ্চিত্র নির্মাণের যে অঙ্গীকার অনুদান নীতিমালায় রয়েছে তার প্রতিফলন ঘটেনি এবারও।
রাকিবুল হাসান বলেন, ‘আমরা হতাশা ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ করছি, অনুদানের জন্য যে চলচ্চিত্র এবং পরিচালকদের নাম এবার প্রকাশ করা হয়েছে, তাদের বেশিরভাগই বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের সাথে সম্পর্কিত। শুধু তা-ই নয়, অনেকেরই চলচ্চিত্র পরিচালনার ন্যূনতম অভিজ্ঞতা আছে বলে আমাদের জানা নেই।’
উক্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও অনুদান নিয়ে অনেক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবরই তা উপেক্ষা করেছে।
বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম মনে করে, চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী গণ ও শিল্পমাধ্যম। যা রাষ্ট্রের স্বপ্ন ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠতে পারে। জনগণের অর্থ ব্যয় করে বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের মতো স্থূল ও বিকৃত বিনোদনের প্রসার কোনও অবস্থাতেই সঠিক নয় বলে দাবি করে ফোরামটি।
এবারের অনুদানের তালিকায় পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের অনুপস্থিতি বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গিরই নামান্তর—এমনটাও উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম।

আরও পড়ুন:
করোনাকালে রেকর্ড পরিমাণ অনুদান পেলো চলচ্চিত্র

তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডে আমি হতাশ: মামুনুর রশীদ

‘সমাধান’ শেষে অনুদান নিয়ে নতুন বিতর্ক!

 

/এমএম/এমওএফ/

লাইভ

টপ