এই ‌‌‘আমি যুগে’ আমরা হওয়াটা বড় কঠিন: এনামুল করিম নির্ঝর

Send
সুধাময় সরকার
প্রকাশিত : ২১:৪৩, আগস্ট ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৩:৪২, আগস্ট ২০, ২০২০

নাটক, গান আর ওয়েব কনটেন্ট মিলিয়ে ঈদ উপলক্ষে অনেক আয়োজনই হয়েছে। চলমান এই ট্রেন্ডে বরাবরের মতো এবারও ব্যতিক্রম ছিলেন স্থপতি, নির্মাতা, গীতিকবি ও সুরকার এনামুল করিম নির্ঝর। তার উদ্যোগে আর কথা-সুরে প্রকাশ হয়েছে একমাত্র মেগা অ্যালবাম ‘আমি কি আমাকে চিনি?’। গেয়েছেন অটমনাল মুন ও শানিলা ইসলাম প্রমিতি।
এখানেই শেষ নয়, গানগুলো সামনে রেখে অন্তর্জালে আয়োজন করেছেন ব্যতিক্রমী এক উৎসব। যা চলেছে টানা ১৭ দিন। এক নির্ঝর কোলাবরেশন তথা ইকেএনসির ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রতিদিন একটি করে গান প্রকাশের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৭টি লাইভ অনুষ্ঠান। যাতে অংশ নিয়েছেন দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রায় ৪০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। স্রোতের বিপরীতে নিজের এসব সৃষ্টি ও এর বিস্তার প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলাপে বাংলা ট্রিবিউন-এর মুখোমুখি হলেন এনামুল করিম নির্ঝর—

এনামুল করিম নির্ঝরবাংলা ট্রিবিউন: কেমন আছেন, শিল্প ও সংসার জীবনে—এই করোনাকালে?
এনামুল করিম নির্ঝর: এই দুঃসময়ে সব মিলিয়ে অনেকের চেয়ে ভালো আছি। যতটা সম্ভব সক্রিয় থেকে সহকর্মীদের তৎপর রাখতে পারছি। চেষ্টা করছি নানান নতুন উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যেতে। মানুষ খুঁজছি দল ভারি করার। আর কী চাই?
বাংলা ট্রিবিউন: ‘আমি কি আমাকে চিনি’ অ্যালবামটির মধ্য দিয়ে ‘এক নির্ঝরের গান’ ফের সরব হয়ে উঠলো। অ্যালবামটি তৈরির পেছনের গল্পটা জানতে চাই...।
এনামুল করিম নির্ঝর: হয়তো জেনে থাকবেন, আমার মূল পেশা স্থাপত্যকলা। পাশাপাশি, আমি যেটাকে বলি আইএসআর অর্থাৎ ইন্টেলেকচুয়াল সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি বা বুদ্ধিবৃত্তিক সামাজিক চর্চা। আমার নিজস্ব উপার্জনের একটা অংশ এবং সামান্য যে সৃজনশীল দক্ষতা আছে তা বিনিয়োগ করে এক নির্ঝর কোলাবরেশনস নামের একটা প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এই আশা নিয়ে, যেন তা ক্রমশ নানা মাধ্যমের সৃজনশীল তরুণদের যুক্ত কর্মকাণ্ডের ছাউনি বা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠে। একটাই আশা, স্থাপত্য, চলচ্চিত্র আর সংগীতে জড়িত পেশাজীবীদের সৃজনশীল শক্তিকে যতটা সম্ভব মানবিকতার সঙ্গে যুক্ত করে তাদের স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার পথ খোঁজার উপায় বের করা।

একটু বিস্তারিতভাবে নেপথ্যের বিষয়টা বললাম এজন্য যে, এখানে আমার গান লেখা, সিনেমা বানানো বা স্থাপত্য চেষ্টাগুলো যেন এই যুক্ত প্রতিষ্ঠান গড়ার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে ক্রমশ। যেখানে সৃজনশীল নৈপুণ্যের পাশাপাশি প্রাধান্য পাবে সামাজিক দায়িত্ববোধ, মানবিক সংযোগ, নৈতিকতা ও নিজস্ব বিশ্বাসের ওপর শ্রদ্ধাবোধ। সৃজনশীল পেশাজীবীদের মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকতে হলে এই আদর্শিক অবস্থানের আকাঙ্ক্ষাটা ভীষণ জরুরি বলে আমি মনে করি। এই চেষ্টা ও কার্যক্রমের একটা ধাপ বলতে পারেন এই অ্যালবামের আত্মপ্রকাশ। সরি, বেশ বিস্তারিত বললাম সুযোগ পেয়ে...।
বাংলা ট্রিবিউন: না না। আপনি বলুন...।
এনামুল করিম নির্ঝর: তো করোনা পরিস্থিতি শুরু হবার পর, বিভিন্ন অর্থসংগ্রামী, পেশাজীবী ও প্রান্তিক দুর্দশাগ্রস্ত মানুষদের যতটুকু সম্ভব সহায়তা শুরু করি। সে সময়টায় দেখা যায় কিছু বাদ্যযন্ত্রশিল্পী এবং সংগীতনির্ভর পেশাজীবীও এক ধরনের বিপদে পড়ে দিশেহারা। তখন আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে এদের সরাসরি সহায়তার কথা বললে অসম্মান হয়ে যাবে। সেটা না করে বরং এমন একটা প্রক্রিয়া শুরু করি, যেন তাদের কাজের মাধ্যমে উপার্জন অব্যাহত রাখা যায়।
আপনি ভালো করেই জানেন, এসব মৌলিক গান বিক্রি করে এখন আর এ দেশে তেমন কোনও অর্থ উপার্জন সম্ভব নয়। সে কারণে আমার আইএসআর এবং বেঙ্গল ক্লাসিক টি-এর সিএসআরকে যুক্ত করে একটা উদাহরণ গড়ার উদ্যোগ নিলাম। তারই ফলশ্রুতিতে জন্ম হলো, ‘আমি কি আমাকে চিনি?’। এই চেষ্টাটা অব্যাহত রাখতে পারলে কিছু একটা হবে ভবিষ্যতে!
এনামুল করিম নির্ঝরবাংলা ট্রিবিউন: আইএসআর বা ইন্টেলেকচুয়াল সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি বিষয়টা নতুন মনে হলো। আরেকটু খুলে বলবেন?
এনামুল করিম নির্ঝর: যেমন ধরুন গত দু’বছর বাংলা একাডেমির বইমেলা আয়োজনে আমরা বিনামূল্যে স্থাপত্যসেবা দিয়েছি। কেন? আমি মনে করি পেশাজীবী হিসেবে আমার উপার্জনের কাজের পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক সামাজিক দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতাও তৈরি করা জরুরি। আমার আর্থিক ক্ষমতা না-ই থাকতে পারে। কিন্তু মেধা প্রয়োগ করেও তো সেই অবদান আমরা রাখতেই পারি। এটাই হলো আইএসআর।  
বাংলা ট্রিবিউন: এই অ্যালবামের দশটি গানের মাধ্যমে প্রমিতি নামের নতুন একজন শিল্পীর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। আগে থেকেই পুরনোদের পাশাপাশি নতুনদের নিয়েও নিয়মিত কাজ করছেন।
এনামুল করিম নির্ঝর: অবশ্যই নতুনদের প্রাধান্য দিতে চাই। তাদের সঙ্গে অগ্রজের দায়িত্ববোধকেও সংযুক্ত করছি। এটাই তো দরকার, নতুনরা উৎসাহ না পেলে ভবিষ্যৎ দাঁড়াবে কেমন করে? এ দেশে সৃজনশীল তরুণদের হতাশায় দিন কাটাতে হয়, আমাদের এই সামান্য চেষ্টা যদি তাদের একটু হলেও স্পৃহা জোগায়। সেই চেষ্টাই করছি।
বাংলা ট্রিবিউন: অ্যালবামের ১৬টি গান প্রকাশ উপলক্ষে ১৬ দিনব্যাপী লাইভ-এ উপস্থিত হলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। এই সম্মিলনের উদ্দেশ্য কি ছিল?
এনামুল করিম নির্ঝর: আমি মনে করি যেকোনও সৃজনশীল চেষ্টা সমকালীন অন্যান্য চিন্তার যোগসূত্র হয়ে উঠতে পারে। এমনিতেই দেশের সৃষ্টিশীল ব্যক্তিরা একধরনের নিঃসঙ্গতায় ভোগেন। তার ওপর করোনা আমাদের আরও বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। সেই কারণে গান প্রকাশের উদযাপনকে আমরা একটা ভিন্নমাত্রা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তাতে একজন তরুণ শিল্পীর প্রথম অ্যালবাম প্রকাশের চমৎকার স্মৃতি তৈরির পাশাপাশি প্রজন্ম, পরিস্থিতি, মানসিকতা, বোঝাপড়া ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন বিশিষ্ট মানুষগুলোর কথাও শোনা হলো। এগুলো সময়ের সাক্ষী হিসেবে অনলাইনে থেকেও যাবে। আমার বিশেষ কৃতজ্ঞতা আমন্ত্রিত অতিথি ও ফেসবুক লাইভ সহকর্মীদের প্রতি, এই অত্যাচার সহ্য করার জন্য।
বাংলা ট্রিবিউন: ‘এক নির্ঝরের গান’-এর লক্ষ্য ‘আমি থেকে আমরা হওয়ার প্রয়াস’। কতটুকু সফল হলেন?
এনামুল করিম নির্ঝর: এই ‌‌‘আমি যুগে’ আমরা হওয়াটা বড় কঠিন! আর এত জলদি এটা আশা করাটাও ঠিক হবে না। যেকোনও দর্শন চর্চায় বা বিশ্বাসে আনা এবং খানিকটা স্থায়ী করতে চাইলে, নিজেকে আশাবাদী রেখে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এগুতে হয়। ধৈর্য ধরতে হয়। সেটাই করে যাচ্ছি। গান তো একটা অংশ মাত্র। সব মিলিয়ে আমাদের স্বপ্ন তো অনেক বড়।

বাংলা ট্রিবিউন: ‘এক নির্ঝরের গান’-প্রজেক্টে আপনার বাইরে অন্য গীতিকার ও সুরকারেরা কেমন সুযোগ পাচ্ছেন? সেটা যদি না পেয়ে থাকেন, তবে তো লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগে উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে!
এনামুল করিম নির্ঝর: ‘এক নির্ঝরের গান’ মানেই তো এক নির্ঝরের লেখা ও সুর। যেটা আমার সৃজনশীল বিনিয়োগ। এখানে নিজের লেখা, সুর ও বিপণনের জন্য আমি কোনও আর্থ নিচ্ছি না। তাই যেটুকু সামান্য অর্থ পাওয়া যাচ্ছে, সেটা শিল্পী, সংগীতায়োজক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের বণ্টন করে চালিয়ে যাচ্ছি। ইকেএনসি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়িয়ে যেতে পারলে তখন হয়তো এগুলো আরও বিস্তৃত হবে। কিন্তু এই পর্যায়ে কে আমাকে বিনে পয়সায় গান বানিয়ে দেবে! আমি তো সবাইকে নিয়েই চলার স্বপ্ন দেখছি।
বাংলা ট্রিবিউন: অনেকেই বলেন আপনার গীতিকবিতা সহজবোধ্য নয়, অনেক শিল্পীও বলেন সেটা। আপনি কী বলবেন। আরও সহজবোধ্য হলে গানগুলো কি আরও বিস্তৃতি লাভ করতো না?

এনামুল করিম নির্ঝর: এর প্রমাণ কী? আমরা কোনটা বুঝি আর কোনটা বুঝি না, সেই মাপকাঠি কে তৈরি করলো? এমনিতেই এক ধরনের প্রি-জাজমেন্টাল মানসিকতা আছে আমাদের। সবাইকে মূর্খ, গর্দভ, অসৎ ভেবে নিই আগেই যার যার সন্দেহবাদী অভ্যাসে। অন্যকে তাচ্ছিল্য করার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা পাওয়ায় এ দেশে মেধাচর্চা ভীষণ অবহেলায় থাকে। ও ছোট, ও কি বুঝবে? এসব উক্তি তো আমাদের ক্রমশ একটা মেধাশূন্য, মেরুদণ্ডহীন, সংস্কৃতিতে আস্থাহীন মানসিকতার জাতিতে পরিণত করছে। যে কারণে চাটুকার, দুর্বৃত্ত, দুর্নীতিবাজদের দখলে সবকিছু। তাদের চাহিদা সহজ সরল বিনোদন, খেলাম আর হাগু করলাম, বিষয়টা যেন এরকম। শরীরের পুষ্টি কি লাগবে, সেটা নিয়ে ভাবনার আগ্রহ নেই। এদেরই সমাজে প্রভাব বেশি। আমার লেখার দুর্বলতা, দুর্বোধ্যতা থাকতে পারে। কিন্তু আমার শিল্পী ও শ্রোতাদের মেধার প্রতি আত্মবিশ্বাস, শ্রদ্ধা দুটোই আছে। দেখুন ভাই,  ভাবতে শেখাও একটা কাজ। ভাবনা আর দুশ্চিন্তা এক নয়।

বাংলা ট্রিবিউন: নিয়মিতই গান প্রযোজনা করছেন। বাণিজ্যিকভাবে এর সাফল্য ও ব্যর্থতা নিয়ে আপনার ভাবনা কেমন?
এনামুল করিম নির্ঝর: বাণিজ্য করার ইচ্ছে থাকলে সরাসরি ব্যবসায় যেতাম। তেমন প্রচলিত ধারণা নিয়ে এটা চালানো সম্ভব নয়। আমার উদ্দেশ্য একটা স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ার প্রক্রিয়া তৈরি করা। যেখানে আমার সকল সৃজনশীল দক্ষতা কেন্দ্রীয় বিনিয়োগ হিসেবে অন্যান্য পেশাজীবীকে সংযুক্ত করবে। তারপর একটা সময়ের পর তারাই সংযুক্তভাবে একটা রাস্তা খুঁজে নিতে পারবে। এগুচ্ছি তো আমরা, স্বপ্ন বড় হচ্ছে, দল বাড়ছে। ধান্দাবাজি, চুরি না করে এখনও টিকে আছি, কম কী?

বাংলা ট্রিবিউন: গানের মালিকানা নিয়ে তো তুমুল বিতর্ক, এমনকি জেল-জরিমানাও চলছে এখন। সময়টাকে আপনি কীভাবে দেখেন। শিল্পীরা মামলায় লড়বে, নাকি গান করবে?
এনামুল করিম নির্ঝর: এটাই তো আমাদের লজ্জাজনক বাস্তবতা। ক্ষমতার দাপট যখন শিল্প সংস্কৃতিকে আবর্জনা মনে করে, তখন সুব্যবস্থাপনা বা তদারকি তো দূরের কথা, কতগুলো চাটুকার দিয়ে সব আয়ত্তে রাখতে চাইলে এমনই হবার কথা। কেউ কি আমাদের পরিণতি নিয়ে ভাবছে? এ দেশে মেধাচর্চার পরিবেশ তৈরি করার দায়িত্ব তো অভিভাবকদের। চাটুকার হলেই সাত খুন মাফের সংস্কৃতিতে একধরনের গানের কারবারি আছে। তারা মুখোশ এঁটে সরকারি তহবিল দিয়ে ইচ্ছা পূরণ করছেন। শিল্পীরা তার চর্চা বাদ দিয়ে অস্তিত্বের লড়াই করছেন। জানি না কি হবে সামনে! এই মানসিক অত্যাচারের ভেতর কি সৃজনশীলতার কিছু থাকে? তবু চেষ্টা করছি, কী আর করা।
বাংলা ট্রিবিউন: গান-সিনেমার সঙ্গেই আছেন। ঈদে প্রকাশিত নাটক দেখেছেন, গান শুনেছেন? ভালো লেগেছে কোনোটা?
এনামুল করিম নির্ঝর: দুঃখিত, আমি বোকাবাক্সের সঙ্গে সম্পর্কহীন একজন মানুষ। সুতরাং মন্তব্য করার উপায় নেই।
বাংলা ট্রিবিউন: একটু চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে আসি। ২০২১ সালের মধ্যে একসঙ্গে ৯টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছিলেন। চলচ্চিত্রগুলোর নির্মাণ অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাই।
এনামুল করিম নির্ঝর: এখানে একটা বিভ্রান্তি আছে। গত বছরের ২৯ নভেম্বরে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নয় বছরের বড় শিরোনামে স্থাপত্য, চলচ্চিত্র, সংগীত এবং কিছু সামাজিক উদ্যোগের প্রস্তাবনা প্রকাশ করেছিলাম। যার প্রত্যেকটিই কোলাবরেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। ৯টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবির পরিকল্পনা ও কয়েকটি ছবির কাজ সমান্তরালভাবে এগিয়ে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে থমকে পড়েছিল। এখন আমরা পরিবর্তিত পরিস্থিতি মাথায় রেখে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি। সামান্য সময় এদিক ওদিক হলেও এটাকে একটা উদাহরণের অবস্থানে নিতে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।   
বাংলা ট্রিবিউন: শেষে জানার আগ্রহ, স্থাপত্যকলা ও শিল্পকলা নিয়ে আপনার মগ্নতায় ‘করোনা পরিস্থিতি’ কেমন প্রভাব ফেলেছে?
এনামুল করিম নির্ঝর: যেকোনও দুঃসময় একজন সৃজনশীল চর্চার মানুষের আকাশ খুলে দেয়। আর যেহেতু বেশ ক’বছর ধরে কোলাবরেশন প্রক্রিয়া সফল করার নানা উপায় খুঁজছি। এই সময়টায় কাজের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। বলা যায় মোটামুটি কাজেই ডুবে আছি।এনামুল করিম নির্ঝর

/এমএম/এমওএফ/

লাইভ

টপ