শেষ হলো ইউল্যাবের ‘সিনেমা বানাই ঘরে বসে’

Send
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:২৩, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:০১, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০

সময়ের সঙ্গে হারিয়ে গেছে চেনা সেই শৈশব আর খেলার মাঠ। নতুন প্রজন্ম নিজেদের স্মৃতি সাজিয়ে তোলার আগেই অদৃশ্য হয়ে পড়েছে শহরের রূপ। শৈশবে খেলার মাঠে বিকালের আনন্দগুলোকে কেড়ে নিয়েছে ইট-পাথরে গড়া শহর। তবে কেউ আবার গড়ে উঠছে দাদা-দাদির সেই শৈশবের গল্প শুনেই।
কথাগুলো লিখিত হলেও পর্দায় দৃশ্যগুলো সাজানো হয়েছে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফফান জাওয়াদ এবং রাজবাড়ী গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী কুইনের নির্মিত সিনেমা দুটিতে।
‘সিনেমা বানাই ঘরে বসে, সবার জন্য চলচ্চিত্র নির্মাণ’ শিরোনামে আট সপ্তাহব্যাপী অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রম চলিয়েছে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এর মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগ। যারা এর আগেও নতুন প্রজন্মকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের চিন্তা ও সৃষ্টিশীলতা প্রকাশের পথ দেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক মোবাইল চলচ্চিত্র উৎসব’ (ডিআইএমএফএফ) আয়োজনের মাধ্যমে।
করোনাকালে ইউল্যাবের ‘সিনেমা বানাই ঘরে বসে, সবার জন্য চলচ্চিত্র নির্মাণ’ উদ্যোগে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ বা সমমানের শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রশিক্ষণ পেয়েছে।
এই কর্মশালায় বাংলাদেশের নানা প্রান্ত থেকে যোগ দিয়েছে ১০৮০ জন শিক্ষার্থী এবং তার মাঝ থেকে নির্বাচিত ১৪৬ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ১৭ জুলাই বিকাল ৩টায় এই যাত্রা শুরু হয়। যা চলে আট সপ্তাহ। এই ই-লার্নিং কোর্সটি সমন্বয় করেছেন ডিআইএমএফএফের উপদেষ্টা এবং মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. কাবিল খান।
প্রশিক্ষক সৈয়দা মেহজাবিন ও প্রিয়াঙ্কা চৌধুরীর শেখানো সিনেমার ধাপগুলো নিয়েই স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদের হাতে নির্মিত ৬০টি সিনেমা ডিআইএমএফএফ-এর ‘ওয়ান মিনিট ক্যাটাগরি’তে জমা পড়েছে।
১১ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় অনলাইন মোবাইল ফিল্ম মেকিং কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান জুম প্ল্যাটফর্মে উদযাপিত হয়েছে। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এমএসজে বিভাগের প্রধান ড. জুড উইলিয়াম হেনিলো। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এটুআই-এর যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক ও মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (ই-গভর্ন্যান্স) ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, ফ্রেডরিখ নুইম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম (এফএনএফ বাংলাদেশ)-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. নাজমুল হোসেইন।
শিক্ষার্থীদের সিনেমার নতুন যাত্রায় উৎসাহ দিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্মাতা মিতালি রায়, সিনেমাটোগ্রাফার তানভীর আহসান এবং ডকুমেন্টারি নির্মাতা শাহীন দিল-রিয়াজ। অনুষ্ঠানের মাঝে শিক্ষার্থীদের নির্মিত সিনেমা অনলাইনে প্রদর্শন করা হয় এবং সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
ডিআইএমএফএফ-এর সঙ্গে এই আয়োজনে যুক্ত হয়েছে ফ্রেডরিখ নুউম্যান ফাউন্ডেশন ফোর ফ্রিডম (এফএনএফ বাংলাদেশ) ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এস্পায়ার টু ইনোভেইট (এটুআই) প্রকল্প।

/এমএম/এমওএফ/

লাইভ

টপ