পাকিস্তানের পরবর্তী সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন’ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শুক্রবার পর্যন্ত মুলতবি করেছে সে দেশের নির্বাচন কমিশন। গোপনে ভোট দেওয়ার নিয়ম থাকলেও নির্বাচনের দিন সংবাদমাধ্যমের সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল ইমরান খানের বিরুদ্ধে। তার কাউন্সেলর বাবর আওয়ান বৃহস্পতিবার ইমরানের পক্ষে এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ২৫ জুলাইয়ের নির্বাচনের দিন পিটিআই নেতার ব্যালট প্রদর্শনের ঘটনা ইচ্ছাকৃত ছিল না। তবে ওই বিবৃতিতে পিটিআই প্রধানের স্বাক্ষর না থাকায় সেটি গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত এর শুনানি মুলতবি করা হয়েছে।
৫ জুলাই অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পিটিআই প্রধান ইমরান খান সাধারণ নির্বাচনে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং সব আসনেই বিজয়ী হয়েছেন। তবে মঙ্গলবার পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন এনএ-১৩১ (লাহোর-৯) ও এনএ-৫৩ (ইসলামাবাদ-২)আসনে ইমরানের বিজয় স্থগিত করে। লাহোর-৯ আসনের মামলায় সেখানকার হাইকোর্ট ভোট পুনর্গণনার আহ্বান জানালেও সুপ্রিম কোর্ট এরইমধ্যে সে আদেশ খারিজ করে দিয়েছে। তবে ইসলামাবাদের আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় ইমরানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার শুনানি এখনও চলছে।
গোপনে ভোট দেওয়ার নিয়ম থাকলেও নির্বাচনের দিন সংবাদমাধ্যমের সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল ইমরান খানের বিরুদ্ধে। তার কাউন্সেলর বাবর আওয়ান বৃহস্পতিবার ইমরানের পক্ষে এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ২৫ জুলাইয়ের নির্বাচনের দিন পিটিআই নেতার ব্যালট প্রদর্শনের ঘটনা ইচ্ছাকৃত ছিল না। তবে ওই বিবৃতিতে পিটিআই প্রধানের স্বাক্ষর না থাকায় সেটি গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত এর শুনানি মুলতবি করা হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, নির্বাচন কর্মকর্তা কিংবা প্রার্থী ও তার এজেন্টরা ভোটদানের সময় গোপনীয়তা সংক্রান্ত আইন ভঙের জন্য দোষী সাব্যস্ত হলে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা এক হাজার রুপি কিংবা উভয় সাজা হতে পারে।
এনএ-১৩১ (লাহোর-৯) আসনের ফল স্থগিত করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিল লাহোর হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন ইমরান খান। বুধবার (৮ আগস্ট) ওই আপিলের শুনানি শেষে লাহোর হাইকোর্টের সিদ্ধান্তটি খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ওই আসনে রানার আপ প্রার্থী খাজা সাদ রফিকের করা এক পিটিশনের ভিত্তিতে ভোট পুনর্গণনার আদেশ দিয়েছিলেন লাহোর হাইকোর্টের বিচারপতি মামুন রশিদ শেখ। বুধবার সে সিদ্ধান্তও খারিজ করা হয়। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ ও ভোট পুনর্গণনার আবেদনটি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে করার জন্য রফিকের আইনজীবীকে নির্দেশ দেয় আদালত।








