ক্যালিফোর্নিয়ার হত্যাযজ্ঞ সন্ত্রাসী হামলা: এফবিআই

বিদেশ ডেস্ক
০৫ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৯:২৬আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০১

California attack যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় গত বুধবারের হত্যাযজ্ঞকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই)। তারা বলেছে, এ হামলা ছিল সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের অংশ। ফলে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবেই এর তদন্ত চালানো হচ্ছে।
শুক্রবার এফবিআইয়ের পরিচালক জেমস কমি জানান, তথ্যপ্রমাণ থেকে এটা নিশ্চিত যে হামলাকারী দম্পতি উগ্রবাদী ছিলেন। এমনকি তাদের একজন জঙ্গি দল আইএসের এক নেতাকে সমর্থন করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন।
এফবিআই- এর দাবি, প্রাথমিক তদন্তে তারা নিশ্চিত যে হামলার পেছনে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী চক্রের উস্কানি রয়েছে। তবে সরাসরি কোনও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী চক্র হামলায় জড়িত কি না তা নিশ্চিত নয়।
এর আগে এফবিআই- এর মুখপাত্র ডেভিড বোডিচম বলেন, হামলাকারী তাসফিন মালিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদিকে ভিন্ন নামে সমর্থন করে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। তবে পরে সেটি সরিয়ে ফেলা হয়।
এদিকে, হামলাকারী ফারুক-মালিক দম্পতি যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন, সেই বাড়ির মালিক ডয়লে মিলার জানিয়েছেন, রেডল্যান্ডসে তার বাড়িটি যখন ওই দম্পতি ভাড়া নেন, তখন দুশ্চিন্তা করার মতো কিছু তিনি দেখেননি। সব খোঁজখবর নেওয়া হয়েছিল। ভাড়াটিয়ার লেনদেনও ভালো ছিল...সবকিছুই।
উল্লেখ্য, বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান বারনারডিনো এলাকায় ইনল্যান্ড রিজিওনাল সেন্টার ইস এ হেলপ অ্যান্ড মেডিক্যাল অর্গানাইজেশন নামের একটি প্রতিবন্ধী সেবাকেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন ১৪ জন। আহত হন ২১ জন। স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে হঠাৎ করেই সেনাবাহিনীর মতো পোশাক পরিহিত তিনজন এলোপাতাড়ি গুলি করতে করতে ভবনটিতে ঢুকে পড়ে। পরে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় হামলাকারী দম্পতি সাঈদ ফারুক এবং তাশফিন মালিক। তাদের ভাড়া করা গাড়িতে দুটি রাইফেল, দুটি আধা-স্বয়ংক্রিয় হ্যান্ডগান ও এক হাজার ৬০০টি গুলি পাওয়া যায়। পরে তাদের বাড়ি থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ১২টি পাইপ বোমা ও সাড়ে চার হাজার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। হামলার আগে তারা নিজেদের ৬ মাস বয়সী সন্তানকে ফারুকের মায়ের কাছে রেখে আসেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি।

/এমপি/

সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম