কঙ্গোতে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, দায় স্বীকার করলো বিদ্রোহী গোষ্ঠী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৭ আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৭

কঙ্গোর বিদ্রোহী গোষ্ঠী এএফসি/এম২৩-এর নেতা করনিয়ে নাঙ্গা দেশটির উত্তর - পূর্বাঞ্চলীয় কিসাঙ্গানি বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার দায় স্বীকার করেছেন। তবে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোনগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই ভূপাতিত করা হয়েছে। বিদ্রোহী নেতা এই হামলাকে সরকারের জন্য ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

বিদ্রোহী নেতা করনিয়ে নাঙ্গা বলেন, এই অভিযান প্রমাণ করেছে যে কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনী তাদের আকাশসীমার উপর পূর্ণ আধিপত্য হারিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ব্যবহৃত যেকোনো বিমানকে আকাশে ওড়া মাত্র ভূপাতিত করা হবে। নাঙ্গার ভাষায়, ‘আমাদের ভূখণ্ডের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ছড়ানোর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কিসাঙ্গানির ব্যবহার এখন নিষিদ্ধ। এই শহর আর কোনভাবেই কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নিরাপদ সামরিক ঘাটি হিসেবে বিবেচিত হবেনা।

তশোপো প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিসাঙ্গানি বিমানবন্দর লক্ষ্য করে বিস্ফোরক বহনকারী আটটি ড্রোন পাঠানো হয়েছিল। তবে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই সবগুলো ভূপাতিত করা হয়। শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই বিমানবন্দরটি পূর্ব কঙ্গোর সক্রিয় সামরিক অঞ্চল থেকেও অনেক দূরে।

এএফসি/এম২৩-এর আরেক জ্যেষ্ঠ নেতা বের্ত্রাঁ বিসিম্বা বলেন, বিদ্রোহীরা যেসব এলাকাকে ‘মুক্ত ভূখণ্ড’ বলে দাবি করছে, সেসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে কঙ্গোর সামরিক বিমান চলাচল অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্ট ঘাঁটিতেই সেগুলো ধ্বংস করা হবে। সরকারি বাহিনীর বিমান অভিযান বন্ধের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

নাঙ্গা আরও অভিযোগ করেন, গত ২২ জানুয়ারি থেকে দক্ষিণ কিভুর পার্বত্য অঞ্চলে কঙ্গোর সেনাবাহিনী ও তাদের মিত্র মিলিশিয়ারা হামলা জোরদার করেছে। তার দাবি, মিনেম্বে ও আশপাশের এলাকায় বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে সুখোই যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কঙ্গো সরকার ও সেনাবাহিনীর মুখপাত্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।

সম্প্রতি কাতারের মধ্যস্থতায় দোহায় বৈঠকে কঙ্গো সরকার ও এএফসি/এম২৩ যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণের জন্য জাতিসংঘের প্রথম দল মোতায়েনের বিষয়ে একমত হয়েছে। সংঘাতপীড়িত এই অঞ্চলে সহিংসতা কমানোর পথে এটিকে একটি প্রাথমিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

/এমবিএম/
সম্পর্কিত
ইয়েমেনে হুথিদের হামলায় নিহত ৭৩
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
কানাডার আলবার্টা প্রদেশে নির্বাচনে মার্কিন ডানপন্থিদের শোচনীয় পরাজয়
সর্বশেষ খবর
চুয়েটের সংকট সমাধানে ইউজিসির কমিটিতে নেই চুয়েটরই কেউ
চুয়েটের সংকট সমাধানে ইউজিসির কমিটিতে নেই চুয়েটরই কেউ
‘স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজনকে নিয়ে নিউজ করায়’ সাংবাদিকের ওপর হামলা 
‘স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজনকে নিয়ে নিউজ করায়’ সাংবাদিকের ওপর হামলা 
নদী পার করার কথা বলে নৌকায় তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩
নদী পার করার কথা বলে নৌকায় তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩
দেশ গড়তে মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
দেশ গড়তে মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সর্বাধিক পঠিত
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, দুইপক্ষ এক হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, দুইপক্ষ এক হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুলতে গাড়ি থামালেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন উপহার
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুলতে গাড়ি থামালেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন উপহার
ওআইসির কাশ্মির প্রস্তাবের নিন্দা ভারতের
ওআইসির কাশ্মির প্রস্তাবের নিন্দা ভারতের
পদত্যাগ করানো সরকারের প্যারাসিটামল থেরাপি: হাসনাত
পদত্যাগ করানো সরকারের প্যারাসিটামল থেরাপি: হাসনাত