পাকিস্তানের পাঞ্জাবের প্রাদেশিক পার্লামেন্ট বুধবার কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় মূল প্রবেশ পথ। এরপর এক হোটেলে অধিবেশনে বসেন বিরোধী আইনপ্রণেতারা। পিএমএল-এন এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ওই অধিবেশনের পর পিএমএল-এন এর ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম নওয়াজ দাবি করেন, হামজাহ শাহবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ‘নির্বাচিত’ হয়েছেন।
ওই অধিবেশনে যোগ দেন কেবল বিরোধী আইনপ্রণেতারা। স্পিকার পারভেজ এলাহি কিংবা ডেপুটি স্পিকার সরদার দোস্ত মোহাম্মদ মাজারির কেউই ওই অধিবেশনে ছিলেন না। এছাড়া পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলি সচিবালয় থেকে অধিবেশনের ভেন্যু পরিবর্তনের কোনও নির্দেশনা জারি করা হয়নি। ফলে এই অধিবেশনের বৈধতা এবং হামজাহ শাহবাজের ‘বিজয়ের’ বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে অধিবেশনটিতে সভাপতিত্ব করেন পিপিপি এর আইনপ্রণেতা সাজিয়া আবিদ। তিনি জানান, গত ৩ এপ্রিল তাকে পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলির ৪০তম অধিবেশনের প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে প্যানেল চেয়ারম্যান অধিবেশন পরিচালনা করতে পারেন।
ওই অধিবেশন শুরুর আগে মরিয়ম নওয়াজ এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘সংবিধান এবং আইন’ অনুযায়ী আজকের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। আর এটা কেবল প্রতীকি হবে না।
টুইট বার্তায় মরিয়ম লেখেন, ‘পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলির যে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তা প্রতিকী নয় বরং সাংবিধানিক এবং আইন অনুযায়ী। আল্লাহর ইচ্ছায় পিএমএল-এন তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবে।’
পরে এক টুইট বার্তায় মরিয়ম নওয়াজ বলেন, ১৯৯ ভোটে পাঞ্জাবের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ‘নির্বাচিত’ হয়েছেন হামজাহ শাহবাজ।
সূত্র: ডন









