ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে বহু মানুষ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩৭ আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩৭

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভার পশ্চিম বান্দুং এলাকায় ভয়াবহ ভূমিধসের পর উদ্ধার অভিযান এখনও চলমান। শনিবার এই ভূমিধসে বহু বাড়ি মাটিচাপা পড়েছে এবং অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। টানা বৃষ্টি ও নড়বড়ে মাটির কারণে উদ্ধারকাজ চালাতে বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছেন উদ্ধারকর্মীরা।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবরটি জানিয়েছে। 

পাসির লাঙ্গু গ্রামের বাসিন্দা ৩৬ বছর বয়সী দেদি কুর্নিয়াওয়ান বলেন, “সাধারণত কাছের নদীর পানি বাড়লে ছোটখাটো বন্যা হয়। দুর্যোগ বলতে ঐ বন্যার প্রস্তুতি আমরা নিতেই পারি। কিন্ত পাহাড়ী বনাঞ্চল থেকে হঠাৎ করেই ভূমিধস হয়ে আলগা মাটি নেমে আসলো। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেল।”

রাতের বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ কিছু সময় বন্ধ ছিল। রবিবার সকালে আবার কাজ শুরু হয়। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীরা সনাতন পদ্ধতিতেই ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন। তবে নিখোঁজদের খুঁজতে ড্রোন ও প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাটি এখনও দুর্বল থাকায় ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা নিরাপদ নয়।

পশ্চিম বান্দুংয়ের মেয়র সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এলাকার অবস্থা খুবই শোচনীয়। উদ্ধারকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন।”

এদিকে পশ্চিম জাভার বিভিন্ন এলাকা ও রাজধানী জাকার্তায় বন্যার পানিতে বহু মানুষ উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে ইন্দোনেশিয়ায় এমন দুর্যোগের ঝুঁকি বেশি থাকে।

গত বছর দেশটির সুমাত্রা অঞ্চলে ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে প্রায় এক হাজার ২০০ মানুষ মারা যান এবং দুই লাখের বেশি মানুষ ঘরছাড়া হন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন উজাড়ের কারণে মাটি দুর্বল হয়ে পড়ছে, ফলে বন্যা ও ভূমিধসের মতো ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুতে সিয়াউ দ্বীপে আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৬ জন নিহত হন। একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেশটিতে মানুষের জীবন আরও অনিশ্চিত করে তুলছে। 

/এমবিএম/
সম্পর্কিত
৪৩ বছরের ক্যারিয়ারে ইতি, সিএনএন ছাড়ছেন ক্রিশ্চিয়ান আমানপোর
২৩০০ আবেদন করে চাকরিহীন প্রিন্সটনের পিএইচডি ধারী
কারফিউয়ে শান্ত ফরাসি শহর, পুলিশের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কথা স্বীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
সর্বশেষ খবর
‘লুপাস’ রোগে ভুগছেন সেলেনা গোমেজ, বদলে গেছে কণ্ঠ
‘লুপাস’ রোগে ভুগছেন সেলেনা গোমেজ, বদলে গেছে কণ্ঠ
সরকার চায় ঐক্য, কিন্তু একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি : প্রধানমন্ত্রী
সরকার চায় ঐক্য, কিন্তু একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি : প্রধানমন্ত্রী
দাঙ্গা-লুটপাটে উত্তাল ফ্রান্স, পিএসজি-বার্সা ম্যাচ নিয়ে যা জানা গেলো
দাঙ্গা-লুটপাটে উত্তাল ফ্রান্স, পিএসজি-বার্সা ম্যাচ নিয়ে যা জানা গেলো
নতুন চাকরিতে যোগ দিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না আনোয়ারের
নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ নতুন চাকরিতে যোগ দিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না আনোয়ারের
সর্বাধিক পঠিত
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক তা চাই না’ মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন এমপি রতন
‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক তা চাই না’ মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন এমপি রতন
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: যা বললেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: যা বললেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির