ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের ওপর টিয়ার শেল, জলকামান ও লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। সোমবার রাজ্য বিধানসভা অভিমুখে যাত্রাকালে পুলিশি ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (জেপিএসসি) প্রিলিমিনারি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার ফল জুলাইয়ে প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে ফলাফল কারচুপির অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে ২৫ জুলাই থেকে রাঁচির একটি স্টেডিয়ামে অনশন ও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন পরীক্ষার্থীরা।
কয়েক সপ্তাহ আগে দিল্লিতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলন প্রত্যাহার করলেও রাঁচির আন্দোলন ক্রমেই তীব্র হয়। বিক্ষোভের মুখে সরকার বিতর্কিত পরীক্ষাসহ তিনটি পরীক্ষা বাতিল করে, সিআইডি তদন্ত শুরু করে এবং ডজনখানেক গ্রেফতারের পাশাপাশি সাবেক জেপিএসসি চেয়ারম্যান এল খিয়াংতেকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এ ছাড়া পরীক্ষা পরিচালনাকারী একটি বেসরকারি সংস্থার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের প্রধান দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
সিজেপির মতো অরাজনৈতিক আন্দোলনের বাইরে গিয়ে রাঁচির এই আন্দোলনে জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন দেখা গেছে। রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি এবং ক্ষমতাসীন জোটের শরিক দল কংগ্রেস শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
এদিকে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার (জেএমএম) প্রধান হেমন্ত সোরেন অভিযোগ করেছেন, স্বার্থান্বেষী মহল রাজ্যে গণতন্ত্র বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে। তিনি আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সূত্র: বিবিসি

সমুদ্রের ৫০০০ মিটার গভীর থেকে তেল-গ্যাস উত্তোলন শুরু চীনের
ডায়েরির একটিমাত্র শব্দে ১০ বছর পর পরিবারে ফিরলেন নিখোঁজ ব্যক্তি
ডলারের বিপরীতে আরও শক্তিশালী চীনা ইউয়ান







