করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইউরোপে মৃতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক কেয়ার হোমের বাসিন্দা ছিলেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সংস্থাটির ইউরোপ প্রধান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
করোনাভাইরাস মহামারিতে বিপর্যস্ত ইউরোপ মহাদেশে প্রাণহানির সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আর গোটা বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজারেরও বেশি মানুষের। এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারানোদের দুই-তৃতীয়াংশই ইউরোপ মহাদেশের বাসিন্দা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপ প্রধান ড. হান্স ক্লুজ বলেন, করোনায় আক্রান্তদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি ভয়াবহ উদ্বেগজনক।
ড. হান্স বলেন, ইউরোপীয় অঞ্চলের পরিসংখ্যান অনুসারে কোভিড-১৯-এ মৃতদের অর্ধেক মানুষ ছিলেন বয়স্কদের কেয়ার হোমে। এটি অকল্পনীয় মানব ট্র্যাজেডি। তিনি বলেন, এসব কেয়ার হোমে যত্মের বিষয়টি নিদারুণ অবহেলা করা হয়েছে। প্রায়ই এসব কেন্দ্রে কর্মীদের সংখ্যা কম থাকে এবং প্রাপ্য মজুরি পান না।
মহামারির সময়ে কেয়ার হোমের কর্মীদের অবদানের জন্য তাদের ‘আনসাং হিরো’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের জন্য সুরক্ষা সরঞ্জাম ও সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন।
স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপীয় প্রধান জানান, বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশে করোনার বিস্তার স্থিতিশীল হচ্ছে বা কমছে। তবে মহামারির অবসান এখনও অনেক দূরে। গত সপ্তাহে পূর্ব ইউরোপের রাশিয়া, তুরস্ক ও ইউক্রেনে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বেলারুশ, তুর্কমেনিস্তান ও তাজিকিস্তানে করোনা মোকাবিলায় সহযোগিতায় শিগগিরই টিম পাঠাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ড. হান্স।







