বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)-এর ইউরোপ প্রধান হান্স ক্লুগ বলেছেন, সংহতির অর্থ এই নয় যে বিশ্বের সব দেশকে একই সময়ে এক সঙ্গে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হবে। বিষয় হলো, সবাই সুরক্ষিত না হলে কেউই নিরাপদ নয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।
২৭ সদস্য রাষ্ট্রের জন্যই ভ্যাকসিন কিনে রেখেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তবে ভ্যাকসিন সরবরাহে ধীর গতির কারণে সম্প্রতি সমালোচনার মুখে পড়েছে তারা। সদস্যভুক্ত কয়েকটি দেশে ফাইজার-বায়োএনটেক টিকা সরবরাহে বিলম্ব ও কাটছাঁটের ঘোষণা দেওয়ার কারণে টিকাদান কর্মসূচি ধীরগতিতে চলছে। কয়েকটি দেশ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে। এর মধ্যেই গত সপ্তাহে ইইউকে অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানায়, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কিছু জটিলতার কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ডোজ সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এরপর ওই ওষুধ কোম্পানিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ইইউ-এর স্বাস্থ্যবিষয়ক কমিশনার স্টেলা কিরিয়াকাইডস বলেন, নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে। লা রিপাবলিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইইউকে দুষেছেন অ্যাস্ট্রাজেনেকা প্রধান।
এক অনলাইন নিউজ ব্রিফিংয়ে হান্স ক্লুগ বলেন, ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো সরবরাহ ঘাটতি পুষিয়ে নিতে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করছে। মহামারি ঠেকাতে হিমশিম খাওয়া দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, সরবরাহের জন্য চাপ না দিয়ে ধৈর্য্য ধারনের জন্য।
ইউরোপীয় অঞ্চলের রোগীদের ফাইজার ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন পৌঁছাতে বিলম্বের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সরকার ও উৎপাদনকারীদের সমস্যা মোকাবিলায় সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো ঘাটতি রয়েছে। আমাদের কোনও সন্দেহ নাই যে উৎপাদনকারীরা ঘাটতি পুষাতে দিনরাত পরিশ্রম করছে। আগামী অতিরিক্ত উৎপাদন দিয়ে এখনকার ঘাটতি পুষিয়ে দেওয়া হবে।
দরিদ্র ও ধনী দেশগুলোর মধ্যে সমানভাবে ভ্যাকসিন বিতরণের কথা আবারও তুলে ধরেন ডব্লিউএইচও ইউরোপের প্রধান ভ্যাকসিন কর্মকর্তা সিদ্ধার্থ দত্ত।









