ইউক্রেনকে সমুদ্রে প্রবেশে রাশিয়া বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে কিয়েভ। এই অঞ্চলে উত্তেজনার মধ্যে আগামী সপ্তাহে নৌ মহড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। এরই মধ্যে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বলেছেন, আজোভ সাগর সম্পূর্ণ অবরোধ করে রাখা হয়েছে আর কৃষ্ণ সাগর প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে রুশ বাহিনী।
সীমান্তে এক লাখের বেশি সেনাসমাবেশ ঘটানোর পরও ইউক্রেনে কোনও আগ্রাসন চালানোর পরিকল্পনার কথা বার বার অস্বীকার করে আসছে রাশিয়া। তবে প্রতিবেশি বেলারুশের সঙ্গে বড় আকারের সামরিক মহড়া শুরু করেছে মস্কো। রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশের সঙ্গে ইউক্রেনের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।
মহড়া উপলক্ষে গত একমাস ধরেই বেলারুশে সেনা, সামরিক সরঞ্জাম মোতয়েন করেছে মস্কো। এরমধ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র আছে। রাশিয়ার এমন তৎপরতা নিয়ে সম্প্রতি একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া যৌথ সামরিক মহড়া পূর্ব ইউরোপের উত্তেজনাকে আরও উসকে দেবে। এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ।
এই মহড়াকে ‘সহিংস ভঙ্গি’ আখ্যা দিয়েছে ফ্রান্স। প্যারিসের বিশ্বাস এই মহড়া স্নায়ু যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বেলারুশে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় সেনাসমাবেশ। ইউক্রেন বলছে, তারা এই মহড়াকে ‘মনস্তাত্ত্বিক চাপ’ হিসেবে দেখছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার নাগরিকদের অবিলম্বে ইউক্রেন ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার সামরিক পদক্ষেপের হুমকি বাড়তে থাকায় এই আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক নির্দেশনায় বলা হয়, ‘ইউক্রেনে অবস্থানরতদের এখনই বাণিজ্যিক বা ব্যক্তিগত উপায়ে দেশ ছাড়া উচিত।’
সূত্র: বিবিসি









