সাবেক কেজিবি কর্মকর্তা রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কখনও বেশ খ্যাপাটে আবার কখনও বা বেশ ঠান্ডা মেজাজের। এ নিয়ে অনেকের অনেক রকম প্রতিক্রিয়া। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে নিজ দেশেই তার প্রতি যেন বিতৃষ্ণার জন্ম হয়েছে নাগরিকদের। এ বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন শোনা গেলেও এবার ঘটেছে এক আজব ঘটনা।
ঘটনাটি ঘটিয়েছেন রাশিয়ার ইরিনা সাইবানেভা নামের ৬০ বছরের এক নারী। পুতিনের মা-বাবার কবরে একটি চিরকুট রেখে এসেছিলেন তিনি। তাতে লিখেছিলেন, ‘একটা দানব ও খুনি জন্ম দিয়েছেন আপনারা।’
বিষয়টিকে মোটেই ভালোভাবে দেখেনি পুতিন প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১১ মে) তাকে আদালতে নেওয়া হয়। এমন কর্মকাণ্ডের শাস্তি হিসেবে এই বৃদ্ধাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রসিকিউটররা। চিরকুটে আরও লেখা ছিল, ‘পুরো বিশ্ব এখন পুতিনের মৃত্যু কামনা করছে’।
এমন কর্মকাণ্ডের কারণ হিসেবে ইউক্রেন যুদ্ধকে দায়ী করেন ইরিনা। তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে খবর দেখার সময় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম। আতঙ্ক থেকেই এমন চিরকুট লিখেছিলাম। আমার মনে হয়নি এটি কারও চোখে পড়তে পারে কিংবা কোনও প্রভাব ফেলতে পারে। এমন অপ্রাসঙ্গিক কর্মকাণ্ডের জন্য আমি দুঃখিত।’
এর আগেও পুতিনের পারিবারিক জমিতে একটি চিরকুট রেখে এসেছিলেন ওই বৃদ্ধা। তাতে পুতিনের মা-বাবাকে উদ্দেশ করে লেখা ছিল, ‘পাগলের মা-বাবা’।
তবে এর জন্য শাস্তি দেওয়াকে অযৌক্তিক দাবি করেছেন ইরিনার আইনজীবী। তার বক্তব্য, কবরের কোনও ক্ষতি করেননি। এমনকি এটার প্রচারও করেননি। সুতরাং তার শাস্তি হওয়া মোটেই যৌক্তিক নয়।
বর্তমানে গৃহবন্দি রাখা হয়েছে ওই বৃদ্ধাকে।
সূত্র: আল জাজিরা








