ফুসফুসের ক্যানসারের অস্ত্রোপচারের পর পোপ লিওর আর কোনও চিকিৎসার প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসকেরা। বুধবার তাদের দেওয়া এই তথ্য থেকে ইঙ্গিত মিলেছে, ক্যানসারটি ফুসফুসের বাইরে ছড়ায়নি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
তবে আগামী ৬ থেকে ১৭ নভেম্বর উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও পেরু সফরে পোপ যাবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া ৭১ বছর বয়সী এই ধর্মগুরুর সফরটি আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে।
গত ১৩ অক্টোবর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পোপের ডান ফুসফুসের নিচের অংশ অপসারণ করা হয়। তার ফুসফুসের অ্যাডেনোকার্সিনোমা শনাক্ত হয়েছিল, যা ফুসফুসের ক্যানসারের সবচেয়ে সাধারণ ধরণ।
ভ্যাটিকানের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে চিকিৎসকেরা জানান, অপসারণ করা টিস্যুর চূড়ান্ত হিস্টোলজিক্যাল পরীক্ষা ও মলিকিউলার বায়োলজি বিশ্লেষণে রোগনির্ণয় নিশ্চিত হয়েছে। তবে রোগটি ফুসফুসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
পোপের প্রধান সার্জন স্টেফানো মারগারিটোরা ও ব্যক্তিগত চিকিৎসক লুইজি কারবোনে বিবৃতিতে বলেন, ‘পরবর্তী ক্যানসারবিষয়ক মূল্যায়নে নিশ্চিত হওয়া গেছে, আর কোনও চিকিৎসার প্রয়োজন নেই’।
গত শনিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান পোপ লিও। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনে ফিরছেন তিনি। বুধবার তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে সাপ্তাহিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে ফিরে আসেন পোপ।
গত সপ্তাহে মারগারিটোরা বলেছিলেন, দক্ষিণ আমেরিকা সফরে পোপের বাধা হতে পারে এমন কোনও ‘ক্লিনিক্যাল কারণ’ নেই। তবে ভ্যাটিকানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন, সুস্থ হয়ে ওঠার সুবিধার্থে পোপকে তার সফরসূচির গতি কিছুটা কমাতে হতে পারে।
ক্যান্সার জয় করে ভ্যাটিকানে ফিরলেন পোপ লিও