ভোট গণনা শুরুর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যায় ছবিটা। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি, আসানসোল, চন্দননগর ও বিধাননগরের পুরনিগম চলে আসে তৃণমূলের দখলে। এই অভূতপূর্ব জয়ে মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আসানসোল, বিধাননগর এবং চন্দননগর এমনিতেই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। তবে এই প্রথম শিলিগুড়ি ও পুরনিগমের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ঘাসফুল শিবির। গত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকালেও দেখা যায়, উত্তরের এই শহরের পুরনিগমের প্রায় সব ওয়ার্ডেই এগিয়ে ছিল বিজেপি। এবার বদলে গেছে সেই ছবিটা। শিলিগুড়িতে ৪৭টি আসনের মধ্যে ৩৭টি তৃণমূলের দখলে। বিজেপি পেয়েছে ৫টি, সিপিএম ৪টি এবং কংগ্রেস পেয়েছে একটি আসন।
টুইটারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, ‘আবারও মা-মাটি-মানুষের জয়। আসানসোল, বিধাননগর, শিলিগুড়ি এবং চন্দননগরের মানুষকে অভিনন্দন। তৃণমূলের ওপর ভরসা রাখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন। আমরা এভাবেই উন্নয়নের কাজ করে যাবো। এমন জয়ের জন্য সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’
আসানসোল ও পুরনিগমের ১০৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৯১টিতেই জয় পেয়েছে তৃণমূল। মাত্র সাতটি ওয়ার্ড এসেছে বিজেপির ঝুলিতে। জামুড়িয়া, রানিগঞ্জে পতন হয়েছে লাল দুর্গের। তাদের ঝুলিতে এসেছে মাত্র ২টি ওয়ার্ড। যেখানে ২০১৫ সালের পুরভোটে তারা পেয়েছিল ১৭টি আসন। কংগ্রেস এবং নির্দল তিনটি করে ওয়ার্ডে জয় পেয়েছে। প্রসঙ্গত, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রথম স্থানের জন্য ‘টাই’ হয় তৃণমূল এবং বামদের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে জয় পায় তৃণমূল প্রার্থী আশা প্রসাদ।








