দিল্লির কনট প্লেসে 'লেহরা দো তিরঙ্গা' বিক্ষোভ মিছিলের আগে আটক করা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেকে প্রতিরোধমূলক গ্রেফতার দেখিয়েছে দিল্লি পুলিশ। অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নেহা বোরাকে শনিবার ভোরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার তাদের প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।
শান্তিভঙ্গের আশঙ্কার প্রেক্ষিতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার পর দিপকেকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার দিনের শেষ দিকে তাকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম) আদালতে হাজির করা হবে। দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ ধারায় আটকসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষে ছাড়া পান বোরা।
সিজেপির আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং অভিযোগ করেছেন, দিপকের অবস্থান অজানা এবং আইনজীবীরা তার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। এক্স-এ তিনি লেখেন, অভিজিৎকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এসইএম আদালতে হাজির করা হবে। তার অবস্থান এখনও অজানা, আইনজীবীরা দেখা করতে পারেননি। আরেক পোস্টে রত্না সিং জানান, শনিবার দুপুর ১২টায় দিপকেকে আদালতে হাজির করা হবে।
নির্বাচনী তালিকায় কথিত অনিয়ম এবং নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কার্যক্রমের প্রতিবাদে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছে সিজেপি, বিরোধী দলগুলো, শিক্ষার্থী সংগঠন ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলো।
আটক থেকে ছাড়া পাওয়ার পর নেহা বোরা অভিযোগ করেন, বিনা কারণে বিক্ষোভকারীদের আটক করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হেফাজতে রাখা হচ্ছে। সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে ভয় ছড়াতে এসব পদক্ষেপ ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, এ দেশে দীর্ঘদিন ধরেই বিনা কারণে মানুষকে আটক করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখার ঘটনা ঘটছে। চলমান আন্দোলনে প্রতিদিনই এটি ঘটছে বলে এখন তা আরও স্পষ্ট। আমরা দেখছি, বিক্ষোভকারীদের আটক করা হচ্ছে এবং পরদিন সকালে বা সন্ধ্যায় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। আজ আমি নিজে দেখেছি, কেন এ ধরনের বেআইনি আটক করা হয়, এর উদ্দেশ্য কী এবং সাধারণ মানুষের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিতে এগুলো কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এবার যন্তর মন্তর থেকে নেহাকে আটক করলো দিল্লি পুলিশ