সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে বর্ণনা করেছে ইরান। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাই চুক্তিটি নিয়ে কথা বলেন।
ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে সই করা দেশগুলোর মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ইঙ্গিত করে মুখপাত্র বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন বুঝতে পেরেছে যে নিরাপত্তা এমন কোনও পণ্য নয় যা কোনও ভুয়া দালালের কাছ থেকে কিনে নেওয়া যায়।
এই নিরাপত্তা চুক্তিটি তেহরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত হতে পারে, এমন কোনও উদ্বেগের কারণ ইরানের নেই বলে উল্লেখ করেন বাঘাই।
তিনি আরও বলেন, যেকোনও পরিকল্পনা যদি এই অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, এটি যদি সর্বজনীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় এবং শত্রু ও হুমকিকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারে, তবে তা নিরাপত্তা জোরদার করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি তা যুদ্ধবাজ ইহুদিবাদী শত্রু ও তার মিত্রদের অস্থিতিশীলতা তৈরি এবং অপব্যবহার রোধে সাহায্য করবে।
শুক্রবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্টে সই করেন। চুক্তিতে বলা হয়েছে, কোনও এক দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা বাকি দুই দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে।
এই চুক্তির আওতায় একটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানদের সমন্বয়ে রাজনৈতিক ও সামরিক কমিটি এবং সৌদি আরবে একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। ফিদান জানান, তিন দেশ যৌথ প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্যবিনিময়, লজিস্টিকস এবং সামরিক প্রযুক্তির সুবিধাসহ প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতায় কাজ করবে। চুক্তিটির প্রস্তুতি দীর্ঘ দুই বছর আট মাস ধরে চলছিল, যা ইঙ্গিত করে এটি কেবল বর্তমান ইরান উত্তেজনার প্রতিক্রিয়ায় তৈরি করা হয়নি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

এবার শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ঝাড়খণ্ড: টিয়ারশেল-লাঠিচার্জ
সমুদ্রের ৫০০০ মিটার গভীর থেকে তেল-গ্যাস উত্তোলন শুরু চীনের







