বিক্ষোভের মুখে ইকুয়েডরের রাজধানীতে কারফিউ জারি

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ০৮:৫০, অক্টোবর ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:১৪, অক্টোবর ১৩, ২০১৯

রাজধানী থেকে সরকারি কার্যক্রম সরিয়ে নেওয়ার পর এবার কুইটোতে কারফিউ জারির ঘোষণা দিয়েছেন ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো। তেলের মূল্যের ভর্তুকি বন্ধের পর শুরু হওয়া বিক্ষোভের দশম দিনে রাজধানীতে সেনা মোতায়েনও করা হয়েছে। শনিবার এক টুইটার পোস্টে লেনিন মোরেনো দাবি করেন, রাজধানী ও আশেপাশের এলাকায় সহিংসতা অসহনীয় মাত্রায় বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো তেলের মূল্যে সরকারি ভর্তুকি বাতিলের ঘোষণা দিলে ধর্মঘটের ডাক দেয় ইকুয়েডরের ট্রান্সপোর্ট ইউনিয়ন। পরে ওই ধর্মঘট বাতিল হলেও বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। দেশের বিভিন্নস্থানে রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভ করছে আদিবাসীরা। এসব বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে। এতে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দুই মাসের জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট।

শনিবার কারফিউ জারির কিছুক্ষণ আগে প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনোর সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মতির কথা জানায় দেশটিতে বিক্ষোভরত আদিবাসীরা। কনফেডারেশন অব ইন্ডিজেনাস ন্যাশনালিটিস অব ইকুয়েডর (কোনাই) টুইটারে এক বিবৃতিতে জানায়, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে তারা। এর আগে তারা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আসছিলো।

কোনাই এর বিবৃতি প্রকাশের পর কুইটোর মেয়র জর্জ মাচাদো স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেন, তেলের ভর্তুকি বন্ধ করে দেওয়ার আইনটি পর্যালোচনা করবে সরকার।

তবে আদিবাসী নেতাদের সঙ্গে কোনও ঐক্যমত হলেও বিক্ষোভ শেষ হওয়ার কোনও নিশ্চয়তা নেই। এর সঙ্গে সব বিক্ষোভকারী একমত হবেন তারও নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না।

 

/জেজে/

লাইভ

টপ