বিদেশিদের জন্য পশ্চিমবঙ্গে ডিটেনশন ক্যাম্প হচ্ছে

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮:০৪, নভেম্বর ১৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:২৮, নভেম্বর ১৭, ২০১৯

পশ্চিমবঙ্গের রাজারহাট ও বনগাঁ এলাকায় দুইটি ডিটেনশন ক্যাম্প (আটককেন্দ্র) নির্মাণ করা হচ্ছে। এ নিয়ে ভারতীয় ওই রাজ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাজ্যবাসীর একাংশ মনে করছে, আসামের মতো করে সেখানেও নাগরিক তালিকা (এনআরসি) হবে। যারা তালিকায় স্থান পাবে না, তাদেরকে ক্যাম্পে রাখা হবে। কারামন্ত্রী অবশ্য এনআরসির কথা অস্বীকার করেছেন। বলেছেন, অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত বিদেশি বন্দিদের রাখার জন্যই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীও সম্প্রতি একই কথা বলেছেন।

কয়েক দফায় খসড়া তালিকা প্রকাশের পর আগস্টের শেষে প্রকাশিত হয় ভারতের আসাম রাজ্যের নাগরিক তালিকা। বাদ পড়েন রাজ্যের প্রায় ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন মানুষ। আসামের পর পশ্চিমবঙ্গে নাগরিক তালিকা প্রকাশের কথা বলছে বিজেপি। তবে শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরির কথা শুনেই রাজ্যবাসী শঙ্কায় পড়েছে, আসামের মতো করে এই রাজ্যেও নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়াদের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কিনা।

রাজ্য সরকার অবশ্য বলছে, এই ডিটেনশন ক্যাম্পের সাথে ভারতের জাতীয় নাগরিক পঞ্জির (এনআরসি) কোনও সম্পর্ক নেই। বিভিন্ন অভিযোগে আটক প্রায় দুই শতাধিক বিদেশি বন্দিকে রাখার জন্যই ক্যাম্প তৈরি করা হচ্ছে। 

সম্প্রতি শিলিগুড়িতে এক অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও বলেছেন, ‘রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এনআরসি চালু করার কোনও পরিকল্পনা নেই। তাই এখানে  বন্দি শিবির বানানোর কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কেননা আমরা এর বিরোধী।’ তবে বিজেপি বলছে, রাজ্যের ক্ষমতায় এলে এখানেও তারা এনআরসি চালু করবে। সে কারণেই দেশ ছাড়া হওয়ার ভয়ে রাজ্যের মানুষের মধ্যে এক অজানা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। 

ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরির জন্য নিউটাউনে জমি চিহ্নিত করার কাজ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় ক্যাম্প তৈরির জন্য বাংলাদেশ লাগোয়া উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁতে জমি খোঁজা হচ্ছে। 

/এইচকে/বিএ/

লাইভ

টপ