যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় প্রাণ গেছে ৫৮৬ স্বাস্থ্যকর্মীর

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৬:৫৬, জুন ০৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:২৪, জুন ০৬, ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত প্রাণ গেছে অন্তত ৫৮৬ ফ্রন্টলাইন স্বাস্থ্যসেবা কর্মীর। দ্য গার্ডিয়ান এবং কায়ার হেলথ নিউজ (কেএইচএন)-এর এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। লস্ট অন দ্য ফ্রন্টলাইন শীর্ষক এ সমীক্ষার লক্ষ্য ছিল করোনা মহামারিতে মারা যাওয়া প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা কর্মীর পরিসংখ্যান তুলে ধরে তাদের স্মরণীয় করে রাখা। শনিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

মৃত ৫৮৬ স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে চিকিৎসক, নার্স ও প্যারামেডিকরা রয়েছে। এছাড়া হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক, প্রশাসক ও নার্সিংহোম কর্মীরাও রয়েছে এ তালিকায়। এই স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা করোনা মহামারির মধ্যেই অন্যদের সেবায় নিজেদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। লস্ট অন দ্য ফ্রন্টলাইন শীর্ষক সমীক্ষায় প্রকাশিত তালিকায় এমন শতাধিক স্বাস্থ্যসেবা কর্মীর কথা উল্লেখ রয়েছে। তালিকায় নথিভুক্তদের বেশিরভাগই আফ্রিকান আমেরিকান এবং এশিয়ান কিংবা প্যাসিফিক আইল্যান্ডার।

প্রতি সপ্তাহে দুই বার করে এই সমীক্ষার ফল হালনাগাদ করা হবে। হালনাগাদ ফল দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের মৃত্যুর বিষয়ে এখন পর্যন্ত এর চেয়ে বিশদ কোনও হিসাব বা সমীক্ষা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সংস্থা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এখন পর্যন্ত করোনায় ৩৬৮ জন স্বাস্থ্যসেবা কর্মীর মৃত্যুর খবর নথিবদ্ধ করেছে। তবে এ সংখ্যা প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে ঢের কম বলে স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সিডিসি করোনায় মৃত স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি পরিসংখ্যান হাজির করলেও সেখানে তাদের শনাক্ত করার মতো বিস্তারিত কোনও তথ্য উপাত্ত নেই।

দ্য গার্ডিয়ান এবং কায়ার হেলথ নিউজ (কেএইচএন) মূলত একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ও পাবলিক ফেসিং ডাটাবেজ তৈরি করছে। এই ডাটাবেজে নথিবদ্ধ ব্যক্তিদের জাতিগত পরিচয়, বয়স, পেশা, অবস্থান প্রভৃতি উল্লেখ থাকবে। গ্রীষ্মে পুরো ডাটাবেজটি প্রকাশ করা হবে। এতে করোনা মহামারির সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা খাতের সফলতা-ব্যর্থতা তুলে ধরা হবে।

আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওমিটার-এর হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত দুই লাখ ৮৩ হাজার ৩১১ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৪০ হাজার ২৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

/এমপি/

লাইভ

টপ